মিলেছে অভিযোগের সত্যতা, মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে বিসিবি

নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা গুরুতর যৌন হয়রানির সব অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ (বুধবার) এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, জাহানারার তোলা অভিযোগগুলোর মধ্যে কয়েকটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। গত বছরের নভেম্বর মাসে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৩১ জানুয়ারি রিপোর্টটি সম্পন্ন হয় এবং ২ ফেব্রুয়ারি তা বিসিবি সভাপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। জাহানারা আলম মোট চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেছিলেন। তদন্ত কমিটি চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটো অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। দুটি অভিযোগই সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তদন্ত কমিটি জানিয়েছে মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ‘হয়রানি’র পর্যায়ে পড়ে। তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে অভিযুক্তদের বিরুদ

মিলেছে অভিযোগের সত্যতা, মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে বিসিবি

নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা গুরুতর যৌন হয়রানির সব অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ (বুধবার) এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, জাহানারার তোলা অভিযোগগুলোর মধ্যে কয়েকটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

গত বছরের নভেম্বর মাসে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল বিসিবি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ৩১ জানুয়ারি রিপোর্টটি সম্পন্ন হয় এবং ২ ফেব্রুয়ারি তা বিসিবি সভাপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জাহানারা আলম মোট চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেছিলেন। তদন্ত কমিটি চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটো অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। দুটি অভিযোগই সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

তদন্ত কমিটি জানিয়েছে মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ‘হয়রানি’র পর্যায়ে পড়ে। তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিসিবি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ জুন চুক্তি শেষ হওয়ার পর থেকে বিসিবিতে যুক্ত নেই মঞ্জুরুল ইসলাম।

এসকেডি/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow