মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়ি গেলেন বিজয়ী শাহজাহান

নোয়াখালী-৪ আসনের পরাজিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে গেলেন বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জামায়াত আমিরের নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপুরের বাসায় যান তিনি। এসময় একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান এবং সামনের দিনগুলোতে আধুনিক নোয়াখালী গঠনে একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মো. শাহজাহান বলেন, নির্বাচন ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক ভিন্নতা ভুলে উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি। পরাজিত প্রার্থী ইসহাক খন্দকারও ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবো। পরে এ ঘটনার ছবি ফেসবুকে দেখে আমির হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দেশের সব রাজনীতিবিদদের মধ্যে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে দেশে হানাহানি থাকতো না। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনর রশিদ আজাদ বলেন, নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ভোটের

মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থীর বাড়ি গেলেন বিজয়ী শাহজাহান

নোয়াখালী-৪ আসনের পরাজিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে গেলেন বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জামায়াত আমিরের নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলীপুরের বাসায় যান তিনি।

এসময় একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান এবং সামনের দিনগুলোতে আধুনিক নোয়াখালী গঠনে একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মো. শাহজাহান বলেন, নির্বাচন ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক ভিন্নতা ভুলে উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার অঙ্গীকার করেছি।

পরাজিত প্রার্থী ইসহাক খন্দকারও ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবো।

পরে এ ঘটনার ছবি ফেসবুকে দেখে আমির হোসেন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, দেশের সব রাজনীতিবিদদের মধ্যে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে দেশে হানাহানি থাকতো না।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনর রশিদ আজাদ বলেন, নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ভোটের মাঠ পর্যন্তই। ফলাফল ঘোষণার পর সবাই এখন এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে চাই। বিজয়ী প্রার্থীর এ সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরই বহিঃপ্রকাশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে নোয়াখালী-৪ (সদর-সূবর্ণচর) আসনে দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মো. শাহজাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেলা আমির মো. ইসহাক খন্দকার পান এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।

এএসএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow