মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেটের বাইরে থেকে অপহরণের শিকার তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এর আগে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেটের বাইরে থেকে এক রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই মুগদা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী। এক বছর আগে মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন। অপহরণের ঘটনার বর্ণনায় মুগদা থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে অটোরিকশায় শিশুটিকে বসিয়ে রেখে পানি কিনতে পাশের দোকানে যান তিনি। এ সময় রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। শিশুটির মা ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, আমি পানি কেনার জন্য একটু দূরে যাই। যাওয়ার সময়ও বাচ্চাকে নামাতে চেয়েছিলাম; কিন্তু ও নামেনি। রিকশ

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেটের বাইরে থেকে অপহরণের শিকার তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

এর আগে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেটের বাইরে থেকে এক রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। ঘটনার পরপরই মুগদা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানায়, শিশুটির বাবা সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী। এক বছর আগে মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন।

অপহরণের ঘটনার বর্ণনায় মুগদা থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে অটোরিকশায় শিশুটিকে বসিয়ে রেখে পানি কিনতে পাশের দোকানে যান তিনি। এ সময় রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

শিশুটির মা ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, আমি পানি কেনার জন্য একটু দূরে যাই। যাওয়ার সময়ও বাচ্চাকে নামাতে চেয়েছিলাম; কিন্তু ও নামেনি। রিকশাচালক বলেছিল, বাচ্চা নামতে চাচ্ছে না, আপনি বিল দিয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফিরে তাকিয়ে দেখি রিকশা আর বাচ্চা নেই।

তিনি বলেন, ‘সঙ্গে সঙ্গে দৌড়াইছি, আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করছি। কিন্তু কোথাও কোনো খোঁজ পাইনি।’ 

পরে প্রযুক্তির সহায়তা ও তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করে গাইবান্ধা থেকে তাকে উদ্ধার করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow