মুছাব্বির হত্যায় দাদা বিনাসের নামসহ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল ডিবি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে নিহত হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুসাব্বির। গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তথ্য অনুযায়ী, এই হত্যার সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের পরিচিত সন্ত্রাসী ‘দাদা দিলিপ ওরফে বিনাস’ জড়িত। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া প্রধান শ্যুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান জানান, বিদেশে থাকা দাদা বিনাসের নির্দেশে হত্যাটি সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যার পেছনে অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত। কারওয়ান বাজারে বর্তমানে ৮–৯টি চাঁদাবাজি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা দ্বন্দ্ব থেকেই পরিকল্পিতভাবে মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজন মূল শ্যুটার জড়িত ছিলেন; তাদের মধ্যে একজন

মুছাব্বির হত্যায় দাদা বিনাসের নামসহ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল ডিবি

রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে নিহত হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুসাব্বির। গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তথ্য অনুযায়ী, এই হত্যার সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের পরিচিত সন্ত্রাসী ‘দাদা দিলিপ ওরফে বিনাস’ জড়িত।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া প্রধান শ্যুটার রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

ডিবি প্রধান জানান, বিদেশে থাকা দাদা বিনাসের নির্দেশে হত্যাটি সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যার পেছনে অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত। কারওয়ান বাজারে বর্তমানে ৮–৯টি চাঁদাবাজি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা দ্বন্দ্ব থেকেই পরিকল্পিতভাবে মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দুইজন মূল শ্যুটার জড়িত ছিলেন; তাদের মধ্যে একজন রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিবি প্রধান সতর্ক করে বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেবে।

মুসাব্বিরকে গত ৭ জানুয়ারি রাতে তেজগাঁও থানার পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই সময় তিনি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪–৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থলে সঙ্গে থাকা সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদও আহত হন।

মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৪২) ওই দিন তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য, তিনি অতীতে একাধিক মামলার আসামি ছিলেন এবং বেশিরভাগ সময় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বর্তমান সরকারে পরিবর্তনের পর আবার তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

আসামিরা তাদের মৃত ভেবে পালিয়ে গেলে আশপাশের লোকজন তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow