মুজিব কেল্লা প্রকল্পের প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুজিব কেল্লা প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন থাকায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর আয়কর আইন ২০২৩-এর ৩০৯ ধারার উপধারা (৩) অনুযায়ী এ আদেশ দেন বিচারক। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, টেন্ডার বাণিজ্য, ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মো. আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। তিনি বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুজিব কেল্লা প্রকল্পে কর্মরত। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার তথ্য প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা যায়, তিনি ও তার স্ত্রী দুজনই আয়করদাতা। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। আরও পড়ুনপরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশের নির্দ

মুজিব কেল্লা প্রকল্পের প্রকৌশলী ও তার স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুজিব কেল্লা প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তারের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন থাকায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর আয়কর আইন ২০২৩-এর ৩০৯ ধারার উপধারা (৩) অনুযায়ী এ আদেশ দেন বিচারক। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, টেন্ডার বাণিজ্য, ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মো. আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। তিনি বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মুজিব কেল্লা প্রকল্পে কর্মরত। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার তথ্য প্রাথমিক যাচাইয়ে দেখা যায়, তিনি ও তার স্ত্রী দুজনই আয়করদাতা। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন
পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশের নির্দেশ 
ঢাকাসহ ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট 

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, জব্দ করা মূল আয়কর নথি দাপ্তরিক প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তার জিম্মায় রেখে তার সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করা হবে।

আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে কর অঞ্চল চট্টগ্রাম-১ ও চট্টগ্রাম-২ এর কর কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপ-কর কমিশনারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আয়কর নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সম্পদের উৎস ও প্রকৃত আয়-ব্যয়ের তথ্য যাচাই করা হবে। অনুসন্ধান শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

এমডিএএ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow