মুদির দোকানে ধানের শীষের অফিস
দলকে ভালোবেসে নিজের মুদির দোকানে ধানের শীষের অফিস করলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইউসুফ আলীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইউসুফ আলী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নিয়ে মুদির দোকানের মালামাল সরিয়ে সেখানে ধানের শীষের অফিস শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফৌজুল আমিন চৌধুরী, বদরুল হক চৌধুরী, এয়ার মোহাম্মদ, মো. জামাল সওদাগর, ছাবের আহম্মদ, নুরুল আবছার, দক্ষিণ জেলা যুবদল নেতা মো.আলম খান, মুহিব্বুল্লাহ কাসেমী, আব্বাস নুর, আবদুল আলী, আবদুল জলিল, আবদুর রশিদ, মো.জাফর সওদাগর প্রমুখ। ১৯৯৫ সালে স্কুলে পড়ালেখা চলাকালীন খালেদা জিয়ার ভক্ত হয়ে যান বোয়ালিয়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী। সেই আর্দশ ধারণ করে কলেজ জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রামে জেল খেটেছেন একাধিকবার। কখনো রাজনৈতিক পদ-পদবির লোভ তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। ১১ বছর ধরে বোয়ালিয়া মোড়ে একটি ছোট মুদির দোকান করেই সংসার চালান ইউসুফ আলী। স্ত্রী ও ছেলেমেয়েসহ ৪ সদস্যের সংসারে
দলকে ভালোবেসে নিজের মুদির দোকানে ধানের শীষের অফিস করলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইউসুফ আলীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইউসুফ আলী স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নিয়ে মুদির দোকানের মালামাল সরিয়ে সেখানে ধানের শীষের অফিস শুরু করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফৌজুল আমিন চৌধুরী, বদরুল হক চৌধুরী, এয়ার মোহাম্মদ, মো. জামাল সওদাগর, ছাবের আহম্মদ, নুরুল আবছার, দক্ষিণ জেলা যুবদল নেতা মো.আলম খান, মুহিব্বুল্লাহ কাসেমী, আব্বাস নুর, আবদুল আলী, আবদুল জলিল, আবদুর রশিদ, মো.জাফর সওদাগর প্রমুখ।
১৯৯৫ সালে স্কুলে পড়ালেখা চলাকালীন খালেদা জিয়ার ভক্ত হয়ে যান বোয়ালিয়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী। সেই আর্দশ ধারণ করে কলেজ জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রামে জেল খেটেছেন একাধিকবার। কখনো রাজনৈতিক পদ-পদবির লোভ তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। ১১ বছর ধরে বোয়ালিয়া মোড়ে একটি ছোট মুদির দোকান করেই সংসার চালান ইউসুফ আলী। স্ত্রী ও ছেলেমেয়েসহ ৪ সদস্যের সংসারে একমাত্র আয়ের উৎস এ মুদির দোকান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের একমাত্র সম্বল বোয়ালিয়া মোড়ের সেই মুদির দোকানকে ধানের শীষের অফিস করে দিয়েছেন তিনি।
ইউসুফ আলী বলেন, বিএনপি বলতে আমি জিয়া পরিবার এবং ধানের শীষকে বুঝি। আমার পরিবারের পাশাপাশি ভালোবাসার আরেকটি হলো জিয়া পরিবার। বিএনপি করি বলেই ২০১২ সাল ও ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে দুবার মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল। বর্তমানেও আমার বিরুদ্ধে ৭টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। ৬ মাস জেলে থাকাকালীন কষ্টের মধ্যে সংসার চলেছিল, এবার দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নির্বাচনে আবারও না হয় একটি সপ্তাহ কষ্ট করলাম।
উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফৌজুল আমিন চৌধুরী বলেন, ইউসুফ নিঃস্বার্থভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত, পদ-পদবির লোভ তার কখনো ছিল না। দুঃসময়ে এলাকায় জিয়া পরিবারের পক্ষে প্রচারণায় ছিলেন ইউসুফ । এজন্য তিনি একাধিকবার জেল খেটেছেন। তার এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
What's Your Reaction?