মুন্সিগঞ্জে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজন মাঠে গরু আনতে গিয়ে আরেকজন ফুটবল খেলে বাড়ি ফেরার পথে মারা যান। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফজুশাহ এবং দিঘিরপাড় এলাকায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন আড়িয়াল ইউনিয়নের ফজুশাহ আড়িয়ল এলাকার মনির ঢালীর ছেলে রিজান ঢালী (১৮) এবং দিঘিরপাড় ইউনিয়নের হায়ারপাড় এলাকার জসিম খানের ছেলে আরাফাত রাকিব খান (২২)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিজান ঢালী বাড়ির পাশে নিজস্ব কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন। এসময় তিনি কালবৈশাখীর কবলে পড়েন এবং বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই সময় দিঘিরপাড় এলাকায় রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরার পথে বজ্রপাতে মারা যান। তিনি ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক অফিসার ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী। তিনি জানান, হাসপাতালের নিয়ে আসার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে। টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুভ ঘোষ/এসআর
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে একজন মাঠে গরু আনতে গিয়ে আরেকজন ফুটবল খেলে বাড়ি ফেরার পথে মারা যান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফজুশাহ এবং দিঘিরপাড় এলাকায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন আড়িয়াল ইউনিয়নের ফজুশাহ আড়িয়ল এলাকার মনির ঢালীর ছেলে রিজান ঢালী (১৮) এবং দিঘিরপাড় ইউনিয়নের হায়ারপাড় এলাকার জসিম খানের ছেলে আরাফাত রাকিব খান (২২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিজান ঢালী বাড়ির পাশে নিজস্ব কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন। এসময় তিনি কালবৈশাখীর কবলে পড়েন এবং বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই সময় দিঘিরপাড় এলাকায় রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরার পথে বজ্রপাতে মারা যান। তিনি ফুটবল খেলে বাড়ি ফিরছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক অফিসার ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী। তিনি জানান, হাসপাতালের নিয়ে আসার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুভ ঘোষ/এসআর
What's Your Reaction?