মুফতি মনির কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।  শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়ায় একটি স্কুলে গিয়ে প্রচারণা এবং অর্থ বিতরণের দায়ে এ জরিমানা করা হয়। এর আগে, দুপুর ১২টায় দেলপাড়া এলাকায় লিটল জিনিয়াস স্কুলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এ সময় তিনি পুরস্কার বিতরণকালে স্কুলের নির্ধারিত পুরস্কারের পাশাপাশি নিজের পকেট থেকে ২ হাজার টাকা করে তুলে দেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে। একই সময়ে স্কুলের মাইকে খেজুরগাছ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়। সে সঙ্গে টাকা দেওয়ার সময়ও ভোট প্রার্থনা করেন তার অনুসারীরা। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় আয়োজক এবং প্রার্থীর প্রতিনিধিরা দোষ স্বীকার করেন। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা করায় আচরণবিধ

মুফতি মনির কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়ায় একটি স্কুলে গিয়ে প্রচারণা এবং অর্থ বিতরণের দায়ে এ জরিমানা করা হয়।

এর আগে, দুপুর ১২টায় দেলপাড়া এলাকায় লিটল জিনিয়াস স্কুলের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে হাজির হন তিনি। এ সময় তিনি পুরস্কার বিতরণকালে স্কুলের নির্ধারিত পুরস্কারের পাশাপাশি নিজের পকেট থেকে ২ হাজার টাকা করে তুলে দেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে। একই সময়ে স্কুলের মাইকে খেজুরগাছ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়। সে সঙ্গে টাকা দেওয়ার সময়ও ভোট প্রার্থনা করেন তার অনুসারীরা।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় আয়োজক এবং প্রার্থীর প্রতিনিধিরা দোষ স্বীকার করেন। সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুর বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা করায় আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উপস্থিত প্রতিনিধিকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। একই সঙ্গে আচরণ বিধিমালা অনুসরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, কোনো প্রার্থী যদি ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করে তাহলে সেটা অপরাধ। প্রার্থীদের দিকে আমাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow