মুসলিমবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় তদন্ত শুরু ফিফার

স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। স্পেন ও মিশরের মধ্যকার এক প্রীতি ম্যাচে ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি। বার্সেলোনার হোম ভেন্যু আরসিডিই স্টেডিয়ামে গত ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন ও মিশর। ফলাফল ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে ম্যাচ চলাকালীন একদল দর্শকের দৃষ্টিকটু স্লোগান। ‘যে লাফাবে না সে মুসলিম’—এমন আপত্তিকর স্লোগান দেয় দর্শকেরা। বিষয়টি দ্রুতই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দেয়। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ‘মিশরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’ ইএসপিএন জানিয়েছে, এই ঘটনায় বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা কিংবা স্টেডিয়াম দর্শকশূন্য রাখার মতো শাস্তি দেওয়া হতে পারে আরএফইএফকে। দর্শকদের ওই স্লোগানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলের তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। এই মুসলিম ফুটবলার বলেন, ‘এটা সম্মানের অভাব। যারা এমন আচরণ করেছে তারা অজ্ঞ ও বর্ণবাদী।

মুসলিমবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় তদন্ত শুরু ফিফার

স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। স্পেন ও মিশরের মধ্যকার এক প্রীতি ম্যাচে ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি।

বার্সেলোনার হোম ভেন্যু আরসিডিই স্টেডিয়ামে গত ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন ও মিশর। ফলাফল ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে ম্যাচ চলাকালীন একদল দর্শকের দৃষ্টিকটু স্লোগান। ‘যে লাফাবে না সে মুসলিম’—এমন আপত্তিকর স্লোগান দেয় দর্শকেরা। বিষয়টি দ্রুতই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দেয়।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ‘মিশরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’ ইএসপিএন জানিয়েছে, এই ঘটনায় বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা কিংবা স্টেডিয়াম দর্শকশূন্য রাখার মতো শাস্তি দেওয়া হতে পারে আরএফইএফকে।

দর্শকদের ওই স্লোগানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলের তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। এই মুসলিম ফুটবলার বলেন, ‘এটা সম্মানের অভাব। যারা এমন আচরণ করেছে তারা অজ্ঞ ও বর্ণবাদী।  আমি মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ। তুমি লাফ না দিলে মুসলিম—এমন স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলা হলেও একজন মুসলিম হিসেবে এটি অসম্মানজনক এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’

স্প্যানিশ ফুটবলে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ বারবার বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছেন—যা দেশটির ফুটবল সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্পেনের পুলিশ ইতোমধ্যে ইসলামবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী স্লোগানের তদন্ত শুরু করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ঘটনাটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘একটি অসভ্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে দেওয়া হবে না।’ স্পেন ফুটবল ফেডারেশনও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।

এই ঘটনায় ব্যতিক্রম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রিয়ালের প্রধান কোচ আলভারো আরবেলোয়া। আলোচিত বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি তা-ই হতো (স্পেন যদি বর্ণবাদী আচরণের দেশ হতো), তাহলে প্রতি সপ্তাহেই সব স্টেডিয়ামে এমন সমস্যা দেখা দিত।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow