মৃত্যুঞ্জয়ের হ্যাটট্রিকে ১৪৮ রানে অলআউট নোয়াখালী

পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৬৬ রান তোলে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দুরন্ত সূচনার পর আশাই করা হয়েছিল বড় সংগ্রহ দাঁড় করাবে হারতে হারতে বিপর্যস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকে শেষ পর্যন্ত ১৪৮ রানে হতে হয়েছে অলআউট। চলমান আসরের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এটি। বিপিএল ক্যারিয়ারে মৃত্যুঞ্জয়েরও দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এটি। প্রথমটি করেছিলেন সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে ২০২২ সালে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে। শেষ ওভারের তৃতীয় বলে ২৮ রান করা মাহিদুল ইসলাম ইসলাম অঙ্কনকে ফেরান নুরুল হাসান সোহানের ক্যাচ বানিয়ে। পরের বলে জহির খানকে ফেরান নিজেই ক্যাচ নিয়ে। আর পঞ্চম বলে বিলাল সামিকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক আর নোয়াখালী অলআউট হয় ১৪৮ রানে। রংপুরের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নামা নোয়াখালীর উদ্বোধনী জুটিতে যোগ হয় ২৫ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে শাহাদাত হোসেন দিপু করেন ৮ বলে ১৪। ৩ চারে ইনিংসের ভালো শুরুই করেছিলেন। কিন্তু এগোতে পারেননি সামনে। দিপুর বিদায়ের পর ভালোই এগোতে থাকেন সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমান সোহান। তাদের জুটিতেই ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬ রান যোগ হয় নোয়াখালীর বোর্ডে। তবে

মৃত্যুঞ্জয়ের হ্যাটট্রিকে ১৪৮ রানে অলআউট নোয়াখালী

পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৬৬ রান তোলে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দুরন্ত সূচনার পর আশাই করা হয়েছিল বড় সংগ্রহ দাঁড় করাবে হারতে হারতে বিপর্যস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকে শেষ পর্যন্ত ১৪৮ রানে হতে হয়েছে অলআউট।

চলমান আসরের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এটি। বিপিএল ক্যারিয়ারে মৃত্যুঞ্জয়েরও দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এটি। প্রথমটি করেছিলেন সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে ২০২২ সালে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে।

শেষ ওভারের তৃতীয় বলে ২৮ রান করা মাহিদুল ইসলাম ইসলাম অঙ্কনকে ফেরান নুরুল হাসান সোহানের ক্যাচ বানিয়ে। পরের বলে জহির খানকে ফেরান নিজেই ক্যাচ নিয়ে। আর পঞ্চম বলে বিলাল সামিকে লিটনের ক্যাচ বানিয়ে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক আর নোয়াখালী অলআউট হয় ১৪৮ রানে।

রংপুরের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নামা নোয়াখালীর উদ্বোধনী জুটিতে যোগ হয় ২৫ রান। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে শাহাদাত হোসেন দিপু করেন ৮ বলে ১৪। ৩ চারে ইনিংসের ভালো শুরুই করেছিলেন। কিন্তু এগোতে পারেননি সামনে।

দিপুর বিদায়ের পর ভালোই এগোতে থাকেন সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমান সোহান। তাদের জুটিতেই ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬ রান যোগ হয় নোয়াখালীর বোর্ডে। তবে পাওয়ার প্লে শেষে দলীয় ৬৮ রানে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৬ বলে ৩০ রান করে কাটা পড়েন সোহান সুফিয়ান মুকিমের বলে।

দলের বোর্ডে আরও ১৬ রান যোগ হওয়ার পর ২৭ বলে ৩১ রান করা সৌম্য ও অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবি দুজনকেই সাজঘরে ফেরান খুশদিল শাহ। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগালেও তা অবশ্য হয়নি পাকিস্তানি অলরাউন্ডারের। ৮৪ রানে ৪ উইকেট হারায় নোয়াখালী।

মাত্র ১ রান করেন অধিনায়ক হায়দার আলী। উইকেটের পেছনে নুরুল হাসান সোহানকে ক্যাচ দেন গতিতারকা নাহিদ রানার বলে।

একপ্রান্তে জাকের আলো অনিক টিকে থাকলেও করেছেন ৩৭ বলে ৩৮। ধীরগতির ইনিংসটি সেভাবে সুফল বয়ে আনেনি নোয়াখালীর জন্য। মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে তিনি আউট হলে ১৩৮ রানে ৬ উইকেট হারায় এক্সপ্রেস। পরের বলে মেহেদী হাসান রানাকেও বোল্ড করে সপ্তম উইকেট তুলে নেন ফিজ। খুশদিলের পর তিনিও জাগান হ্যাটট্রকের সম্ভাবনা। কিন্তু হয়নি।

তবে হ্যাটট্রিক করেছেন শেষ ওভার করতে আসা মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। শেষ ওভারের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে একে একে ফেরান অঙ্কন, জহির খান ও বিলালকে।

বিপিএল ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow