মেগা প্রকল্পের নামে জনগণের অর্থ লোপাটের সংস্কৃতি বন্ধ করেছি: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মতো কথায় কথায় মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে জনগণের অর্থ লোপাটের সংস্কৃতি বন্ধ করা হয়েছে। আমরা মেগা প্রকল্প করতে চাই না; বরং ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আমরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুফল ভোগ করবে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় শুধু বড় শহর কিংবা বড় প্রকল্পকে গুরুত্ব দিলে হবে না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, তৃণমূল জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।  তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদের প্রয়োজন ও বাস্তবতার ভিত্তি

মেগা প্রকল্পের নামে জনগণের অর্থ লোপাটের সংস্কৃতি বন্ধ করেছি: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মতো কথায় কথায় মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে জনগণের অর্থ লোপাটের সংস্কৃতি বন্ধ করা হয়েছে। আমরা মেগা প্রকল্প করতে চাই না; বরং ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে তৃণমূলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আমরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুফল ভোগ করবে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় শুধু বড় শহর কিংবা বড় প্রকল্পকে গুরুত্ব দিলে হবে না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, তৃণমূল জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদের প্রয়োজন ও বাস্তবতার ভিত্তিতে ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। তৃণমূলের মানুষ ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, তাদের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ তহবিল ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এ অর্থ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও জীবনমান পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের উন্নয়নে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশের সব জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়েই একটি বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। কোনো জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তৃণমূলের মানুষের চাহিদা ও বাস্তবতার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান সুবাস চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল বিপুল হাজং, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শুভ্রা পানথ্রসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow