মেরামতের সময় আগুন ধরে গেলো লঞ্চে

পটুয়াখালীর বাউফলে মেরামতের সময় একটি সিঙ্গেল ডেকার লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে লঞ্চটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের খান ডকইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘এম এল ফোর স্টার’ নামের লঞ্চটির মেরামত কাজ চলছিল। এসময় ওয়েল্ডিংয়ের ইলেকট্রোড থেকে বের হওয়া স্ফুলিঙ্গ লঞ্চে জমে থাকা ডিজেলের সংস্পর্শে এলে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ইঞ্জিনরুমসহ পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই লঞ্চটির অধিকাংশ পুড়ে যায়। লঞ্চের কর্মচারী মীর হোসেন জোমাদ্দার জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. সাব্বির আহমেদ বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেরামত কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্তের পর জানা যায়নি। মাহমুদ হাসান রায়হান/এফএ/এমএস

মেরামতের সময় আগুন ধরে গেলো লঞ্চে

পটুয়াখালীর বাউফলে মেরামতের সময় একটি সিঙ্গেল ডেকার লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে লঞ্চটির অধিকাংশ অংশ পুড়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের খান ডকইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘এম এল ফোর স্টার’ নামের লঞ্চটির মেরামত কাজ চলছিল। এসময় ওয়েল্ডিংয়ের ইলেকট্রোড থেকে বের হওয়া স্ফুলিঙ্গ লঞ্চে জমে থাকা ডিজেলের সংস্পর্শে এলে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ইঞ্জিনরুমসহ পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই লঞ্চটির অধিকাংশ পুড়ে যায়।

লঞ্চের কর্মচারী মীর হোসেন জোমাদ্দার জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. সাব্বির আহমেদ বলেন, মোবাইল ফোনে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেরামত কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্তের পর জানা যায়নি।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow