‘মেসির বিদায় রাঙাতে জীবন দিতেও প্রস্তুত’

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। তার করা প্রথম গোলটির অ্যাসিস্ট এসেছিল ফাকুন্দো মেদিনার পা থেকেই। ম্যাচ শেষে খোদ আর্জেন্টাইন অধিনায়ক সেই অ্যাসিস্ট তুলনা করেছিলেন বার্সেলোনায় জর্ডি আলবার দেওয়া সেই বিখ্যাত কাটব্যাকগুলোর সঙ্গে। তবে অধিনায়কের এমন আকাশচুম্বী প্রশংসাকে কিছুটা বিনয়ের সঙ্গেই সামলালেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ডিফেন্ডার মেসির প্রশংসা এবং দলের বিশ্বকাপ মিশন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। এর আগে অস্ট্রিয়া ম্যাচ শেষে মেসি বলেছিলেন, ‘আমি সবসময় জর্ডিকে বলতাম পেছনে পাস দিতে, আমি ঠিক পৌঁছে যাব... মেদিনার পাসটা আমাকে বার্সার সেই পুরনো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।’ এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে মেদিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় মেসি একটু বাড়িয়েই বলেছেন। হ্যাঁ, ওই পাসটা দেখে আমারও বার্সেলোনার সেই সোনালী দিনগুলোর কথাই মনে পড়ছিল, তবে আজকাল মিডিয়াতে সবকিছুই একটু বেশি বড় করে দেখানো হয়। আমি কেবল মাঠে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ‘গ্রুপ জে’ থেকে

‘মেসির বিদায় রাঙাতে জীবন দিতেও প্রস্তুত’
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। তার করা প্রথম গোলটির অ্যাসিস্ট এসেছিল ফাকুন্দো মেদিনার পা থেকেই। ম্যাচ শেষে খোদ আর্জেন্টাইন অধিনায়ক সেই অ্যাসিস্ট তুলনা করেছিলেন বার্সেলোনায় জর্ডি আলবার দেওয়া সেই বিখ্যাত কাটব্যাকগুলোর সঙ্গে। তবে অধিনায়কের এমন আকাশচুম্বী প্রশংসাকে কিছুটা বিনয়ের সঙ্গেই সামলালেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ডিফেন্ডার মেসির প্রশংসা এবং দলের বিশ্বকাপ মিশন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। এর আগে অস্ট্রিয়া ম্যাচ শেষে মেসি বলেছিলেন, ‘আমি সবসময় জর্ডিকে বলতাম পেছনে পাস দিতে, আমি ঠিক পৌঁছে যাব... মেদিনার পাসটা আমাকে বার্সার সেই পুরনো দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।’ এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে মেদিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় মেসি একটু বাড়িয়েই বলেছেন। হ্যাঁ, ওই পাসটা দেখে আমারও বার্সেলোনার সেই সোনালী দিনগুলোর কথাই মনে পড়ছিল, তবে আজকাল মিডিয়াতে সবকিছুই একটু বেশি বড় করে দেখানো হয়। আমি কেবল মাঠে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ টানা দুই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ‘গ্রুপ জে’ থেকে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে নকআউট পর্বে পা রেখেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে মেদিনা তাকিয়ে আছেন আসল লড়াইয়ের দিকে। মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে পুরো দল কতটা মরিয়া, তা প্রকাশ পায় মেদিনার কথায়, ‘সামনে আরও ছয়টি ফাইনাল (নকআউটের ম্যাচ) বাকি আছে। আমরা আমাদের সবকিছু ঢেলে দেব। কোচ আমাদের যে পজিশনেই খেলাক না কেন, আমরা মাঠে জানপ্রাণ লড়ে যাব, যাতে আমাদের অধিনায়কের বিদায়টা সবচেয়ে সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ হয়। মেসির জন্য আমরা মাঠে জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow