মেহেরপুর জেলা কারাগারে রোজা রাখবেন ২৮২ কয়েদি
মেহেরপুর জেলা কারাগারে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজা রাখতে যাচ্ছেন ২৮২ জন বন্দি। তবে দীর্ঘদিনের জনবল সংকটে কয়েদিদের সেহরি ও ইফতার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতার মেহেরপুর জেলা কারাগারে বর্তমানে কয়েদি রয়েছেন ৩০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৯৮ জন ও নারী ৮ জন। মোট কয়দিদের মধ্যে মুসলিম ২৯২ জন এবং অমুসলিম ১৪ জন। এ ছাড়া কারাগারে ৩ জন বিদেশি বন্দিও রয়েছেন। রমজানের প্রথম দিনে মুসলিম কয়েদিদের মধ্যে ২৮২ জন রোজা রাখবেন। অন্যদিকে স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য কারণে ১০ জন কয়েদি রোজা রাখবেন না। কারা প্রশাসন জানিয়েছে, রোজাদার বন্দিদের জন্য নিয়ম অনুযায়ী সেহরি ও ইফতারের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেহরিতে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম এবং ইফতারে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, খেজুর ও শরবত পরিবেশনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে কারাগারে জনবল সংকট এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বরাদ্দকৃত জনবল ৮০ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬৩ জন। ফলে ১৭ জন জনবলের ঘাটতি রয়েছে। তবে কম জনবল নিয়ে রমজান মাসে কারাগার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে, কিন্তু নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকির কোনো আশঙ্ক
মেহেরপুর জেলা কারাগারে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজা রাখতে যাচ্ছেন ২৮২ জন বন্দি। তবে দীর্ঘদিনের জনবল সংকটে কয়েদিদের সেহরি ও ইফতার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতার মেহেরপুর জেলা কারাগারে বর্তমানে কয়েদি রয়েছেন ৩০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৯৮ জন ও নারী ৮ জন। মোট কয়দিদের মধ্যে মুসলিম ২৯২ জন এবং অমুসলিম ১৪ জন। এ ছাড়া কারাগারে ৩ জন বিদেশি বন্দিও রয়েছেন।
রমজানের প্রথম দিনে মুসলিম কয়েদিদের মধ্যে ২৮২ জন রোজা রাখবেন। অন্যদিকে স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য কারণে ১০ জন কয়েদি রোজা রাখবেন না।
কারা প্রশাসন জানিয়েছে, রোজাদার বন্দিদের জন্য নিয়ম অনুযায়ী সেহরি ও ইফতারের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেহরিতে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম এবং ইফতারে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, খেজুর ও শরবত পরিবেশনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে কারাগারে জনবল সংকট এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বরাদ্দকৃত জনবল ৮০ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬৩ জন। ফলে ১৭ জন জনবলের ঘাটতি রয়েছে। তবে কম জনবল নিয়ে রমজান মাসে কারাগার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে, কিন্তু নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন জেল সুপার।
মেহেরপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার আমান উল্লাহ কালবেলাকে বলেন, রমজান মাসে বন্দিদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করাটাই আমাদের অগ্রাধিকার। জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও সেহরি, ইফতার ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ম মেনেই পরিচালনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, রোজাদার কয়দিদের জন্য আলাদা রান্নার ব্যবস্থা রাখা হয়। যারা রোজা রাখবেন তারা আগের দিন সন্ধ্যায় লিস্টে নাম দেন। ভোরে সেহরির সময় সেলের দরজা খুলে খাবার সরবরাহ করা হয়। একইসঙ্গে কারাগারে তারাবিহ নামাজ আদায়ের ব্যবস্থাও থাকে।
What's Your Reaction?