মেহেরপুরে ১০ ল্যান্ডমাইন সদৃশ বস্তু ঘিরে রেখেছে পুলিশ
মেহেরপুরের গাংনীতে ১০টি ল্যান্ডমাইন ও পাঁচটি ল্যান্ডমাইনবক্স সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। শনিবার (০৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় মাটির নিচে এসব বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবুল মালিথার ছেলে কাঁদো মালিথার জমিতে শ্রমিকরা কাজ করার সময় মাটির নিচে ল্যান্ডমাইন ও ল্যান্ডমাইনের বক্স সদৃশ বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে গাংনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রাখে।
স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ক্যাম্প ছিল। ওই সময়ের কোনো অবিস্ফোরিত ল্যান্ডমাইন বা সামরিক সরঞ্জাম মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। বোমা ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো আসলে কী, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।
মেহেরপুরের গাংনীতে ১০টি ল্যান্ডমাইন ও পাঁচটি ল্যান্ডমাইনবক্স সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। শনিবার (০৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে জমিতে কাজ করার সময় মাটির নিচে এসব বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবুল মালিথার ছেলে কাঁদো মালিথার জমিতে শ্রমিকরা কাজ করার সময় মাটির নিচে ল্যান্ডমাইন ও ল্যান্ডমাইনের বক্স সদৃশ বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে গাংনী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রাখে।
স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ক্যাম্প ছিল। ওই সময়ের কোনো অবিস্ফোরিত ল্যান্ডমাইন বা সামরিক সরঞ্জাম মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। বোমা ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো আসলে কী, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।