মেয়েকে ছাড়া জীবনের ভার কিভাবে বইবো জানি না : কারিনার মা

উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে আর বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আর প্রিয় কন্যাকে হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন তার মা লোপা কায়সার। রোববার (১৭ মে) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে মেয়েকে হারানোর বেদনার কথা তুলে ধরেন তিনি। পোস্টে লোপা কায়সার লেখেন, ‘জীবনের অনেক বড় বড় পরীক্ষা হাসিমুখে পার করেছি। কখনো কারও কাছে কিছু চাইনি, কারও অপকার করিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের উপকার করতে। আজ আমার মেয়েকে ছাড়া জীবনের ভার আমি কীভাবে বয়ে বেড়াব, জানি না।’ জানা গেছে, গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। প্রথমে ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জ্বরের পর তার শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে

মেয়েকে ছাড়া জীবনের ভার কিভাবে বইবো জানি না : কারিনার মা

উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে আর বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আর প্রিয় কন্যাকে হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন তার মা লোপা কায়সার।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে মেয়েকে হারানোর বেদনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

পোস্টে লোপা কায়সার লেখেন, ‘জীবনের অনেক বড় বড় পরীক্ষা হাসিমুখে পার করেছি। কখনো কারও কাছে কিছু চাইনি, কারও অপকার করিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের উপকার করতে। আজ আমার মেয়েকে ছাড়া জীবনের ভার আমি কীভাবে বয়ে বেড়াব, জানি না।’

জানা গেছে, গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। প্রথমে ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, জ্বরের পর তার শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। একইসঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

আজ বিকেলে কারিনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, বাদ মাগরিব বনানী ডিওএইচএস মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বনানী দরবার শরিফে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাত ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হবে তার মরদেহ। আগামীকাল মুন্সিগঞ্জের আবদুল্লাহপুরে দাফন করা হবে তাকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়া কারিনা অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখালেখিতেও যুক্ত ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow