মেয়ের ধর্ষণের অভিযোগ করায় ভাতিজার কোপে চাচা নিহত
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার দায়ের কোপে কলিম উল্লাহ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কলিম উল্লাহ দিঘির পাড় গ্রামের মৃত তিতু মিয়ার ছেলে এবং আটককৃত ব্যক্তির নাম আমির উদ্দিন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে কলিম উল্লাহর মেয়েকে তার ভাতিজা জুবের আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যেগ নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জুবের আহমেদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার না পেয়ে কলিম উল্লাহ শনিবার দুপুরে গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এর জেরে কলিম উল্লাহর ওপর তার ভাই ছয়ফুল্লাহ, জুবের আহমেদ ও আমির উদ্দিন হামলা চালায়। এক পর্যায়ে জুবের আহমেদ হাতে থাকা দা দিয়ে তার গলায় কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক মোড়ল কালবেলাকে বলেন, কলিম উল্লাহ নিহতের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার দায়ের কোপে কলিম উল্লাহ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কলিম উল্লাহ দিঘির পাড় গ্রামের মৃত তিতু মিয়ার ছেলে এবং আটককৃত ব্যক্তির নাম আমির উদ্দিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে কলিম উল্লাহর মেয়েকে তার ভাতিজা জুবের আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যেগ নেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানান, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জুবের আহমেদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার না পেয়ে কলিম উল্লাহ শনিবার দুপুরে গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এর জেরে কলিম উল্লাহর ওপর তার ভাই ছয়ফুল্লাহ, জুবের আহমেদ ও আমির উদ্দিন হামলা চালায়। এক পর্যায়ে জুবের আহমেদ হাতে থাকা দা দিয়ে তার গলায় কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক মোড়ল কালবেলাকে বলেন, কলিম উল্লাহ নিহতের ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?