মোংলা ইপিজেডের চায়না কারখানায় হাত কাটা পড়লো শ্রমিকের
মোংলা ইপিজেডের অভ্যন্তরের চীনা প্রতিষ্ঠান ‘গুয়াংজু হুয়া ফাং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিডি কো. লি.’ এ তুলা থেকে সুতা তৈরির মেশিনে হাত কেটে পড়ে গেছে এক শ্রমিকের। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় হাত কেটে পড়ে যাওয়ার প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর আহত শ্রমিককে খুলনায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ আহত শ্রমিককে তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত হাসপাতালে না নেওয়া ও প্রায় ঘণ্টা খানেক দেরিতে হাসপাতালে নেওয়ায় শ্রমিকেরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কারখানার শ্রমিকরা জানান, একটি মেশিনের বিপরীতে যে কয়জন শ্রমিক থাকার কথা, তার চেয়ে কম শ্রমিক ছিল। যার ফলে মেশিনে কাজের চাপ ছিল বেশি। তাই কাজে হিমশিম খেয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে মেশিন থেকে কাপড় সরাতে গেলে মো. গোলাম নামের শ্রমিকের হাত কেটে পড়ে যায়। তার ডান হাতের কনুইয়ের পর থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে কাটা অংশ মেশিনের ভেতরে চলে যায়। পরে তার সহকর্মীরা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর প্রায় এক ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে না নিয়ে তাকে একটি প্রাইভেট কারে খুলনায় নেওয়া হয়। খুলনা থেকে তাকে ফেরত
মোংলা ইপিজেডের অভ্যন্তরের চীনা প্রতিষ্ঠান ‘গুয়াংজু হুয়া ফাং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিডি কো. লি.’ এ তুলা থেকে সুতা তৈরির মেশিনে হাত কেটে পড়ে গেছে এক শ্রমিকের।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় হাত কেটে পড়ে যাওয়ার প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর আহত শ্রমিককে খুলনায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ আহত শ্রমিককে তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত হাসপাতালে না নেওয়া ও প্রায় ঘণ্টা খানেক দেরিতে হাসপাতালে নেওয়ায় শ্রমিকেরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কারখানার শ্রমিকরা জানান, একটি মেশিনের বিপরীতে যে কয়জন শ্রমিক থাকার কথা, তার চেয়ে কম শ্রমিক ছিল। যার ফলে মেশিনে কাজের চাপ ছিল বেশি। তাই কাজে হিমশিম খেয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে মেশিন থেকে কাপড় সরাতে গেলে মো. গোলাম নামের শ্রমিকের হাত কেটে পড়ে যায়। তার ডান হাতের কনুইয়ের পর থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে কাটা অংশ মেশিনের ভেতরে চলে যায়। পরে তার সহকর্মীরা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর প্রায় এক ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে না নিয়ে তাকে একটি প্রাইভেট কারে খুলনায় নেওয়া হয়। খুলনা থেকে তাকে ফেরত দিলে রাতেই ঢাকায় নেওয়া হয়।
শ্রমিকেরা বলেন, এর আগেও এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ ভ্রূক্ষেপহীন। এনিয়ে মুখ খুললে আমাদের চাকরি যাবে বলেও শাসিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আহত শ্রমিক গোলামের বাড়ি মোংলার চাঁদপাই গ্রামে। আর এ ফ্যাক্টরিতে তুলাজাত সুতা উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।
এদিকে ইপিজেডে অ্যাম্বুলেন্স ও হসপিটাল থাকা সত্ত্বেও গোলামের চিকিৎসার ক্ষেত্রে চরম অবহেলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ শ্রমিকদের।
তবে মোংলা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক কালাম মো. আবুল বাশার বলেন, গত রাতে ওই ফ্যাক্টরির একটি মেশিনে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। পরে মেশিন বন্ধ করে আগুন নিভানো হয়। মেশিনটি বন্ধের পরও সেটির ব্লেড ঘুরছিল, তখন গোলাম নামের এক শ্রমিক মেশিনের ভেতর থেকে কাপড় বের করতে গেলে ব্লেডে আটকে তার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে এখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া নিয়মমাফিক সে কোম্পানি থেকে ক্ষতিপূরণ পাবে।
তিনি বলেন, আমি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত টিমও করা হচ্ছে। কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবু হোসাইন সুমন/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?