মোংলায় বোট মাঝিদের মাঝে কম্বল বিতরণ

মোংলায় শীতার্ত বোট মাঝিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি। প্রচন্ড শীতে মোংলা ও পশুর নদীতে বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন চালিত বোটের ১৬০ জন মাঝিদের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতির নিজস্ব কার্যলয়ে এসব কম্বল মাঝিদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতি ও স্থায়ী-অস্থায়ী ব্যবসায়ী সমিতির ১৬০ জন মাঝিদের মাঝে এ কম্বল দেয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার কাছ থেকে অসহায় মাঝিরা এ কম্বল সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতি সভাপতি মোঃ বেল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক স্বপন শিকদার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আশরাফ আলি, সদস্য মহিদুল, মোঃ খলিলুর রহমান, মাঝিদের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শহিদুল ভুইয়া ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবুল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী বলেন, প্রচণ্ড শীতে

মোংলায় বোট মাঝিদের মাঝে কম্বল বিতরণ

মোংলায় শীতার্ত বোট মাঝিদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি। প্রচন্ড শীতে মোংলা ও পশুর নদীতে বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন চালিত বোটের ১৬০ জন মাঝিদের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতির নিজস্ব কার্যলয়ে এসব কম্বল মাঝিদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতি ও স্থায়ী-অস্থায়ী ব্যবসায়ী সমিতির ১৬০ জন মাঝিদের মাঝে এ কম্বল দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার কাছ থেকে অসহায় মাঝিরা এ কম্বল সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান, মোংলা বন্দর সুন্দরবন ওয়াপাদা পারাপার সাম্পান মাঝি সমবায় সমিতি সভাপতি মোঃ বেল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক স্বপন শিকদার, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আশরাফ আলি, সদস্য মহিদুল, মোঃ খলিলুর রহমান, মাঝিদের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শহিদুল ভুইয়া ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবুল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী বলেন, প্রচণ্ড শীতে নদীতে মাঝিরা খুব কস্ট করেন, অনেক সময় নদীতে রাত্রী যাপন করতে হয়। মাঝিরা যেন কষ্ট না পায়, সেই চিন্তা থেকেই এ কম্বল দেয়া হয়েছে। সমাজের অসহায় ও শীর্তাত মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। সরকারের এই সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা সর্বোচ্চ সংখ্যক শীতার্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই। শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকলে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এই কম্বল বিতরণ কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow