মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ

মোবাইলে কল ড্রপ এবং ইন্টারনেটে ধীর গতি এখন গ্রাহকদের প্রতিদিনের অভিযোগ। গত দেড় বছরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসিতে দেশের ৪টি মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ সেবার মান এবং ইন্টারনেটের গতি নিয়ে। দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। এর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। অথচ মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বিশ্বের ১০৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯১তম। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তথ্য বলছে, সেবার মানসহ ১৪টি ক্যাটাগরিতে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৯৩৬টি অভিযোগ রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ৩ হাজার ২৫৪টি। এরপরেই টেলিটক এবং বাংলালিংকের নাম। বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত ১০ বছরে দেশে টাওয়ার এবং স্পেকট্রাম বাড়াতে অপারেটররা বড় কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তবে অপারেটরদের দাবি, সেবার মান বাড়াতে কাজ করছেন তারা। তদারকি এবং গণশুনানির পরও কেন গ্রাহক সেবার মান বাড়ছে না, এ জন্য বিটিআরসিকে দায়ী করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষের ভোগান্তির

মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ

মোবাইলে কল ড্রপ এবং ইন্টারনেটে ধীর গতি এখন গ্রাহকদের প্রতিদিনের অভিযোগ। গত দেড় বছরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিটিআরসিতে দেশের ৪টি মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ সেবার মান এবং ইন্টারনেটের গতি নিয়ে।

দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। এর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। অথচ মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বিশ্বের ১০৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯১তম।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তথ্য বলছে, সেবার মানসহ ১৪টি ক্যাটাগরিতে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৯৩৬টি অভিযোগ রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে। গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ৩ হাজার ২৫৪টি। এরপরেই টেলিটক এবং বাংলালিংকের নাম।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত ১০ বছরে দেশে টাওয়ার এবং স্পেকট্রাম বাড়াতে অপারেটররা বড় কোনো উদ্যোগ নেয়নি। তবে অপারেটরদের দাবি, সেবার মান বাড়াতে কাজ করছেন তারা।

তদারকি এবং গণশুনানির পরও কেন গ্রাহক সেবার মান বাড়ছে না, এ জন্য বিটিআরসিকে দায়ী করছেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।

সাধারণ মানুষের ভোগান্তির তুলনায় বিটিআরসিতে করা অভিযোগের পরিমাণ খুব সমান্য বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তবে নিয়মিতভাবে নেটওয়ার্ক ও সেবা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানায় বিটিআরসি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow