মোহামেডানকে সাতে নামিয়ে দুইয়ে উঠলো আবাহনী
রোমাঞ্চ ছিল। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ছিল গোল পাল্টা-গোল। এক কথায় মোহামেডান ও আবাহনীর ফুটবল ম্যাচ দৃষ্টিনন্দন হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণই ছিল কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাকা ডার্বিতে। পুরো ম্যাচে তিন গোল। যার দুটিকে আলাদা করেই উল্লেখ করতে হবে। রোমাঞ্চকর এমন ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে শেষ হাসি হাসলো আবাহনী। টানা ৬ ম্যাচ পর মোহামেডানকে হারানোর তৃপ্তির সাথে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেও উঠে গেছে আকাশি-নীলরা। শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দু’রকম সমীকরণ নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিল মোহামেডান-আবাহনী। আবাহনীর লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপুর্ণ এই ম্যাচটি জিতে শিরোপা লড়াইয়ে ভালোভাবে ফিরে আসা। আর মোহামেডান চাইছিল আবাহনীকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থানটা একটু ওপরে তোলা। গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান এবার মাঠে ছন্নছাড়া। শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাদই দিয়েছেন দলটির সমর্থকরা। আবাহনীকে হারাতে পারলে একটা সান্তনা হয়তো থাকতো। প্রথম পর্বে যে কাজটি করতে পেরেছিল মোহামেডান। দ্বিতীয় পর্বে লিড নিয়েও পারলো না চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারাতে। ২-১ গোলে হেরে মেহোমেডান নেমে গেছে পয়েন্ট টেবিলের ৭ নম্বরে। মানে রেলিগেশ
রোমাঞ্চ ছিল। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ছিল গোল পাল্টা-গোল। এক কথায় মোহামেডান ও আবাহনীর ফুটবল ম্যাচ দৃষ্টিনন্দন হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণই ছিল কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হওয়া ঢাকা ডার্বিতে। পুরো ম্যাচে তিন গোল। যার দুটিকে আলাদা করেই উল্লেখ করতে হবে। রোমাঞ্চকর এমন ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে শেষ হাসি হাসলো আবাহনী। টানা ৬ ম্যাচ পর মোহামেডানকে হারানোর তৃপ্তির সাথে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেও উঠে গেছে আকাশি-নীলরা।
শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দু’রকম সমীকরণ নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিল মোহামেডান-আবাহনী। আবাহনীর লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপুর্ণ এই ম্যাচটি জিতে শিরোপা লড়াইয়ে ভালোভাবে ফিরে আসা। আর মোহামেডান চাইছিল আবাহনীকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থানটা একটু ওপরে তোলা।
গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান এবার মাঠে ছন্নছাড়া। শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাদই দিয়েছেন দলটির সমর্থকরা। আবাহনীকে হারাতে পারলে একটা সান্তনা হয়তো থাকতো। প্রথম পর্বে যে কাজটি করতে পেরেছিল মোহামেডান। দ্বিতীয় পর্বে লিড নিয়েও পারলো না চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারাতে। ২-১ গোলে হেরে মেহোমেডান নেমে গেছে পয়েন্ট টেবিলের ৭ নম্বরে। মানে রেলিগেশন জোনের আশপাশে।
অথচ এই ম্যাচে দুর্দান্ত শুরু হয়েছিল মোহামেডানের। তৃতীয় মিনিটে দলের মধ্যমাঠের প্রাণভোমরা উজবেকিস্তানের মোজাফফর মোজাফফরভ চোখধাঁধানো অলিম্পিক গোল উল্লাস ছড়িয়েছিলেন মোহামেডান গ্যালারিতে।
১৭ মিনিটে মিরাজুল ইসলামের গোলে সমতায় ফেরে আবাহনী। তারপর তীব্র লড়াই দুই দলের। মোহামেডানের এক সময়ের ত্রাণকর্তা সোলেমান দিয়াবাতেরও যে তার সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে কারিশমা দেখানো বাকি ছিল! সেটি তিনি দেখিয়েছেন ৬৬ মিনিটে।
নাইজেরিয়ান এমেকা ওগবগ বাম দিক দিয়ে মোহামেডান বক্সে ঢুকে কাটব্যাক করলে বল খুঁজে পায় দিয়াবাতেকে। তিনি বল থামিয়ে শরীর ঘুরিয়ে নিঁখুত শটে সেটা পাঠিয়ে দেন তার পুরনো ক্লাব মোহামেডানের জালে।
এ ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন আবাহনীর নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকা ওগবগ। দলের দুটি গোলেই আছে তার কারিশমার ছোঁয়া। প্রথমে মিরাজুলকে দিয়ে গোল করিয়ে সমতা এনেছেন। পরে দিয়াবাতেকে দিয়ে গোল করিয়ে আবাহনীকে এনে দিয়েছেন মোহামেডানের বিপক্ষে ভুলতে যাওয়া জয়টি।
এরপর অনেক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খেলা বন্ধ থেকেছে। রেফারিকে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত খেলাতে হয়েছে ১১ মিনিটের মতো। মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচে যা থাকার সবই ছিল পরের সময়টুকুতে। শুধু গোল আর দেখা যায়নি।
আবাহনী দাঁতে দাঁত চেপে মোহামেডানের আক্রমণগুলো সামাল দিয়ে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। আবাহনী এখন এক ম্যাচ কম খেলা বসুন্ধরা কিংসের চেয়ে দুই পয়েন্ট পেছনে। ২২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আকাশি-হলুদরা। ১১ পয়েন্ট নিয়ে মোহামেডানের অবস্থান সাতে।
আরআই/আইএইচএস/
What's Your Reaction?