মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই

ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের একনিষ্ঠ ও বর্ষীয়ান সমর্থক আতাউর রহমান আতা আর নেই। ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ‘আতা ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে বুধবার রাত আনুমানিক ১১টায় নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার নামাজে জানাযা আজ বাদ যোহর টিকাটুলি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি পরিবার-পরিজনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি স্টেডিয়ামে গলা ফাটিয়েছেন তার প্রিয় দল মোহামেডানের জন্য এবং দেশের ফুটবলের জন্য। তার কণ্ঠ, তার উপস্থিতি ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল দেশের ফুটবলের জন্য এক অনন্য প্রেরণা। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘তিনি শুধু মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সমর্থক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলের একজন প্রকৃত সৈনিক। ফুটবলের প্রতি তার এই অবদান ও ভালোবাসা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ আতা ভাইকে দেখা গেছে কখনো জাতীয় স্টেডিয়াম, কখনো মিরপুরে মোহামেডানের জন্য গলা ফাটাতে। তিনি পুরো গ্যালারি একাই মাতিয়ে রাখতেন। আবাহনীকে

মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই

ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের একনিষ্ঠ ও বর্ষীয়ান সমর্থক আতাউর রহমান আতা আর নেই। ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ‘আতা ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

বার্ধক্যজনিত কারণে বুধবার রাত আনুমানিক ১১টায় নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তার নামাজে জানাযা আজ বাদ যোহর টিকাটুলি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি পরিবার-পরিজনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি স্টেডিয়ামে গলা ফাটিয়েছেন তার প্রিয় দল মোহামেডানের জন্য এবং দেশের ফুটবলের জন্য। তার কণ্ঠ, তার উপস্থিতি ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল দেশের ফুটবলের জন্য এক অনন্য প্রেরণা।

তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘তিনি শুধু মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সমর্থক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলের একজন প্রকৃত সৈনিক। ফুটবলের প্রতি তার এই অবদান ও ভালোবাসা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

আতা ভাইকে দেখা গেছে কখনো জাতীয় স্টেডিয়াম, কখনো মিরপুরে মোহামেডানের জন্য গলা ফাটাতে। তিনি পুরো গ্যালারি একাই মাতিয়ে রাখতেন। আবাহনীকে তীর্যক ভাষায় ভাষায় আক্রমণও করতেন। খেলা শুরুর আগেই বলতে থাকতেন ‘ওই আবাহনীর ভায়েরা, আজ তোমাদের তিন গোল দিয়ে দেবো।’ মোহামেডান হারতে থাকলেও তিনি সাদাকালো পতাকা দুলিয়ে চিল্লাতে থাকতেন।

মনে হতো তার জন্মই হয়েছে আকাশি-নীলদের বিরোধিতা আর সাদা-কালোদের জন্য যুদ্ধ করতে।

আরআই/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow