মোহাম্মদপুরে ‘এলেক্স ইমনকে’ কুপিয়ে হত্যা

ঢাকার মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি ইমন ওরফে এলেক্স ইমন, যিনি ‘এলেক্স গ্রুপ’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধ এলাকায় প্রতিপক্ষের সদস্যরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, এলেক্স ইমন গ্রুপ ও আরমান-শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫) নামে তিনজনকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, এলেক্স ইমন রায়ের বাজার এলাকার একটি চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের নেতা ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে ছিনতাই ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। রায়েরবাজার এলাকায় ‘এলেক্স ইমন গ্রুপ’ ও ‘আরমান-শাহরুখ গ্রুপের’ মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে রোববার বিকেলে

মোহাম্মদপুরে ‘এলেক্স ইমনকে’ কুপিয়ে হত্যা

ঢাকার মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তি ইমন ওরফে এলেক্স ইমন, যিনি ‘এলেক্স গ্রুপ’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধ এলাকায় প্রতিপক্ষের সদস্যরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, এলেক্স ইমন গ্রুপ ও আরমান-শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষ ঘটে।

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫) নামে তিনজনকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, এলেক্স ইমন রায়ের বাজার এলাকার একটি চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের নেতা ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে ছিনতাই ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

রায়েরবাজার এলাকায় ‘এলেক্স ইমন গ্রুপ’ ও ‘আরমান-শাহরুখ গ্রুপের’ মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে রোববার বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেখানেই প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতর আহত হয়।

একটি সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, অস্ত্র হাতে একটি দল আরেক দলকে ধাওয়া করছে। ওই সময়ে ইমন পড়ে যান, তার হাতেও ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় প্রতিপক্ষ তাকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।

ধারালো অস্ত্রের কোপে ইমনের দুই পা বিচ্ছন্ন হয়ে যায়। এছাড়া হাঁটু, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য কোপের আঘাত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow