ম্যাচ রেফারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সাইমন টফেলের

আসন্ন মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন ম্যাচ রেফারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে বিশেষ এক ‘ইনডাকশন কোর্স’ পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গত দুই দিন ধরে চলা এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন কিংবদন্তি আম্পায়ার সাইমন টফেল। মূলত রেফারিবক্সের সক্ষমতা বাড়ানো এবং সঠিক প্রতিভা খুঁজে বের করাই এই প্রজেক্টের মূল লক্ষ্য। প্রশিক্ষণ সেশন শেষে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাইমন টফেল বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমরা বিসিবির সম্ভাব্য নতুন ম্যাচ রেফারিদের জন্য একটি ইনডাকশন কোর্স পরিচালনা করছি। আগামী মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের প্রাথমিক ফোকাস হলো কীভাবে সক্ষমতা তৈরি করা যায় এবং মান উন্নত করা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে যখন আমরা এই প্রকল্পটি শুরু করি, তখন আমি সবার কাছে ধৈর্য ধরতে এবং আমরা কীভাবে আরও ভালো করতে পারি সেই প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বলেছিলাম।’ এবারের কোর্সে প্রায় ৩৫ জন সম্ভাব্য নতুন ম্যাচ রেফারি অংশ নিয়েছেন। টফেল জানান, কেবল কাজটা জানাই যথেষ্ট নয়, বরং একজন রেফারির ব্যক্তিত্ব ও মানসিক দৃঢ়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘এটি কেবল কাজ করার বিষয় নয়, বরং একজন ম্যাচ রেফারির ব্যক্

ম্যাচ রেফারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সাইমন টফেলের

আসন্ন মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন ম্যাচ রেফারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে বিশেষ এক ‘ইনডাকশন কোর্স’ পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গত দুই দিন ধরে চলা এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন কিংবদন্তি আম্পায়ার সাইমন টফেল। মূলত রেফারিবক্সের সক্ষমতা বাড়ানো এবং সঠিক প্রতিভা খুঁজে বের করাই এই প্রজেক্টের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ সেশন শেষে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাইমন টফেল বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে আমরা বিসিবির সম্ভাব্য নতুন ম্যাচ রেফারিদের জন্য একটি ইনডাকশন কোর্স পরিচালনা করছি। আগামী মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের প্রাথমিক ফোকাস হলো কীভাবে সক্ষমতা তৈরি করা যায় এবং মান উন্নত করা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে যখন আমরা এই প্রকল্পটি শুরু করি, তখন আমি সবার কাছে ধৈর্য ধরতে এবং আমরা কীভাবে আরও ভালো করতে পারি সেই প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বলেছিলাম।’

এবারের কোর্সে প্রায় ৩৫ জন সম্ভাব্য নতুন ম্যাচ রেফারি অংশ নিয়েছেন। টফেল জানান, কেবল কাজটা জানাই যথেষ্ট নয়, বরং একজন রেফারির ব্যক্তিত্ব ও মানসিক দৃঢ়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘এটি কেবল কাজ করার বিষয় নয়, বরং একজন ম্যাচ রেফারির ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলো দেখার বিষয়। ম্যাচ রেফারি হওয়া সহজ নয়; এটি অবিশ্বাস্যভাবে চ্যালেঞ্জিং এবং একটি দায়িত্বশীল অবস্থান। তারা আমাদের ক্রিকেট আম্পায়ারদের মূল্যায়নকারী এবং আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে আমাদের কাছে ভালো মানুষ আছে যারা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে খুব দক্ষ।’

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্যানেলের সংখ্যা কমিয়ে গুণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনাও জানান টফেল। তার মতে, ‘উৎকর্ষের কোনো ফিনিশ লাইন নেই। আমি এটা যথেষ্ট জোর দিয়ে বলতে পারি না। তাই প্রতিবার যখন আমরা পরিকল্পনা করি, প্রস্তুতি নিই এবং কার্যকর করি, তখন আমাদের ভালো ফিডব্যাক প্রয়োজন। আমরা যদি সত্যিই ভালো মানুষ এবং ভালো প্রসেস তৈরি করি, তবে সম্ভাবনা আছে যে আমাদের ফলাফল খুব ভালো হবে।’

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow