ম্যাচের শুরুতে কান্না, শেষে হাসি; বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন মোকোয়েনা

দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সংগীত চলাকালীন সময়ে কান্না বিজড়িত চেহারাটা এখনো সবার মনে ভাসছে। সেই তিনিই যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে প্রথম গোল এনে দিবেন তা কি কেউ ভেবেছিল? বলছি তেবোহো মোকোয়েনার কথা, যার একমাত্র পেনাল্টি গোলে চেকিয়ার সঙ্গে ড্র করে বিশ্বকাপে এখনো টিকে রইলো দক্ষিণ আফ্রিকা। চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে সমতাসূচক গোল করা এই মিডফিল্ডার হলেন অ্যারন মোকোয়েনার ছেলে, যিনি চেক প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ছিলেন। মোকোয়েনা তার কঠোর ট্যাকলিং দক্ষতার কারণে \"ম্বাজো\" বা \"দ্য অ্যাক্স\" নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। মাত্র ১৮–১৯ বছর বয়সে, ১৯৯৯ সালে ২০০০ সালের অলিম্পিক বাছাইপর্বে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেন। পরবর্তীতে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ডিফেন্ডার লুকাস রাডেবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক হন। ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে অংশ নেন মোকোয়েনা, যেখানে দলটি গ্রুপ ‘ডি’-তে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এছাড়াও তিনি ২০০২ ও ২০০

ম্যাচের শুরুতে কান্না, শেষে হাসি; বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন মোকোয়েনা

দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সংগীত চলাকালীন সময়ে কান্না বিজড়িত চেহারাটা এখনো সবার মনে ভাসছে। সেই তিনিই যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে প্রথম গোল এনে দিবেন তা কি কেউ ভেবেছিল? বলছি তেবোহো মোকোয়েনার কথা, যার একমাত্র পেনাল্টি গোলে চেকিয়ার সঙ্গে ড্র করে বিশ্বকাপে এখনো টিকে রইলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে সমতাসূচক গোল করা এই মিডফিল্ডার হলেন অ্যারন মোকোয়েনার ছেলে, যিনি চেক প্রজাতন্ত্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ছিলেন।

মোকোয়েনা তার কঠোর ট্যাকলিং দক্ষতার কারণে "ম্বাজো" বা "দ্য অ্যাক্স" নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। মাত্র ১৮–১৯ বছর বয়সে, ১৯৯৯ সালে ২০০০ সালের অলিম্পিক বাছাইপর্বে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেন।

পরবর্তীতে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ডিফেন্ডার লুকাস রাডেবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক হন। ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে অংশ নেন মোকোয়েনা, যেখানে দলটি গ্রুপ ‘ডি’-তে তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

এছাড়াও তিনি ২০০২ ও ২০০৪ আফ্রিকা কাপ অব নেশনস-এ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে ঘানায় অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশনস-এ তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়কত্ব করেন।

মোকোয়েনা পরবর্তীতে ২০০৯ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ এবং ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ছিলেন। উল্লেখ্য, এই দুটি টুর্নামেন্টই তার নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১০ সালের ৩১ মে তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার ২৩ সদস্যের বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তারই ছেলে তেবোহো মোকোয়েনা। ১৮ই জুন, ২০২৬ তারিখটি কখনও ভুলবেন না এই ফুটবলার। বৃহস্পতিবার চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হওয়ার জন্য মাঠে নামার আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সংগীত শোনার সময় এই মিডফিল্ডার অনেক কেঁদেছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে, পেনাল্টি কিক থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে গোল করার সময় এই ৪ নম্বর জার্সিধারী আরও বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ম্যাচে বেলজিয়ামের হুগো ব্রুসের দলটি মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল। লিগের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া। সেই ম্যাচ জিতলে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের গ্রুপে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে অথবা ১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা ৮টি তৃতীয় স্থান নির্ধারণকারী দলের 'একটি' হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow