ম্যারাডোনার ‘ইশ্বরের হাত’ ছোঁয়া সেই বল এখন কোথায়

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত গোলগুলোর একটি ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই গোল করে কিংবদন্তি ম্যারাডোনা চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসে। কিন্তু প্রায় চার দশক পর প্রশ্ন উঠছে—সেই ঐতিহাসিক গোলের বলটি এখন কোথায়? মেক্সিকোর অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বল জালে পাঠালেও রেফারি গোলের স্বীকৃতি দেন। পরে একই ম্যাচে তিনি করেন আরেকটি অসাধারণ একক গোল, যা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে পরিচিতি পায়। আর্জেন্টিনা ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপও জিতে নেয়। সেই ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি দীর্ঘদিন ধরে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন তিউনিসিয়ার রেফারি । তিনিই ছিলেন ওই ম্যাচের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেফারি। ২০২২ সালে সেই ঐতিহাসিক স্মারকটি নিলামে তোলেন তিনি। নিলামে বলটির দাম উঠেছিল ২০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত। তবে বিক্রেতার নির্ধারিত মূল্য পূরণ না হওয়ায় তা বিক্রি হয়নি। ফলে আপাতত বলটি এখনো আলি বিন নাসেরের কাছেই রয়েছে।  নিলামের আগে আলি বিন নাসের বলেছিলেন, ‘এটি ফুটবল ইতিহাসের অংশ। আমি চাই নতুন মালিক এটি জনসাধারণের জন্য প্রদর্শ

ম্যারাডোনার ‘ইশ্বরের হাত’ ছোঁয়া সেই বল এখন কোথায়

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত গোলগুলোর একটি ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই গোল করে কিংবদন্তি ম্যারাডোনা চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসে। কিন্তু প্রায় চার দশক পর প্রশ্ন উঠছে—সেই ঐতিহাসিক গোলের বলটি এখন কোথায়?

মেক্সিকোর অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বল জালে পাঠালেও রেফারি গোলের স্বীকৃতি দেন। পরে একই ম্যাচে তিনি করেন আরেকটি অসাধারণ একক গোল, যা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে পরিচিতি পায়। আর্জেন্টিনা ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপও জিতে নেয়।

সেই ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি দীর্ঘদিন ধরে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন তিউনিসিয়ার রেফারি । তিনিই ছিলেন ওই ম্যাচের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেফারি। ২০২২ সালে সেই ঐতিহাসিক স্মারকটি নিলামে তোলেন তিনি।

নিলামে বলটির দাম উঠেছিল ২০ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত। তবে বিক্রেতার নির্ধারিত মূল্য পূরণ না হওয়ায় তা বিক্রি হয়নি। ফলে আপাতত বলটি এখনো আলি বিন নাসেরের কাছেই রয়েছে। 

নিলামের আগে আলি বিন নাসের বলেছিলেন, ‘এটি ফুটবল ইতিহাসের অংশ। আমি চাই নতুন মালিক এটি জনসাধারণের জন্য প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন, যাতে সবাই এই স্মারকটি দেখতে পারে।’

ম্যারাডোনা নিজেও পরে সেই গোলকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘এটি ছিল কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত।’ সেই মন্তব্য থেকেই জন্ম নেয় বিখ্যাত নাম ‘হ্যান্ড অব গড’।

উল্লেখ্য, একই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরা জার্সিটি ২০২২ সালে নিলামে প্রায় ৭১ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছিল, যা ফুটবল স্মারকের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ মূল্য। তবে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সেই বলটি এখনো আলি বিন নাসেরের কাছেই রয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow