ময়মনসিংহে পাসপোর্ট অফিসের সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রকাশ্যে মোহাম্মদ রাব্বি (২৫) নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাসপোর্ট অফিসসংলগ্ন আকাশ কম্পিউটার নামের একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ রাব্বি নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা পরিষদ হাইস্কুল রোডের মোবারক হোসেনের ছেলে। তিনি মাসকান্দার আকাশ কম্পিউটার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে দোকানে অবস্থান করছিলেন রাব্বি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি দোকানে ঢুকে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। রাব্বির চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাব্বির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অন
ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রকাশ্যে মোহাম্মদ রাব্বি (২৫) নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাসপোর্ট অফিসসংলগ্ন আকাশ কম্পিউটার নামের একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ রাব্বি নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা পরিষদ হাইস্কুল রোডের মোবারক হোসেনের ছেলে। তিনি মাসকান্দার আকাশ কম্পিউটার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে দোকানে অবস্থান করছিলেন রাব্বি। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি দোকানে ঢুকে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়। রাব্বির চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে রাব্বির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাব্বিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং কারা জড়িত তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, পূর্বের একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই ঘটনা নিয়ে একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বিরোধ মীমাংসার জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) স্থানীয়ভাবে একটি দরবারও অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ওই দরবারে ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলু নেতৃত্ব দেন। দরবারে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছিল বলেও স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। এর পরদিনই রাব্বির ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের চাচা হোসেন আলী বলেন, ‘আমার ভাতিজা সকালে বাসা থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে দোকানে আসে। এ সময় একদল যুবক তাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে দেখেছে, কেউ প্রতিবাদ করেনি। এখন আবার ভয়ে কিছু বলছে না। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘পূর্বপরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
What's Your Reaction?