ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ জনে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জানা গেছে, মৃত শিশুটির বয়স ৮ মাস। তার বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায়। হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার জানান, বুধবার দুপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বিকেলেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ৮৫২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৭১৩ শিশু। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২৫ শিশু। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ শিশু। বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯৩ শিশু। প্রতিদিনের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসাধীন শিশুদের স্বজনদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি ১২ মাস বয়সী এক শিশুর স্বজন হামিদা

ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ জনে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, মৃত শিশুটির বয়স ৮ মাস। তার বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায়।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার জানান, বুধবার দুপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বিকেলেই তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ৮৫২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৭১৩ শিশু।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২৫ শিশু। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ শিশু। বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯৩ শিশু।

প্রতিদিনের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসাধীন শিশুদের স্বজনদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি ১২ মাস বয়সী এক শিশুর স্বজন হামিদা আক্তার বলেন, প্রতিদিন মৃত্যুর কান্না শুনে খুব অসহায় বোধ করছি। ছেলেটাকে নিয়ে খুবই চিন্তিত, কখন কী হয়ে যায়।

হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখানকার আইসিইউ সংকট দূর হলে মনে হয় প্রাণহানি কমতো। এতো মায়ের বুক খালি হতো না।

হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা বলেন, মারা যাওয়া শিশুরা হামের পাশাপাশি অন্যান্য রোগেও আক্রান্ত ছিল। ফলে তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এই সময়ে আইসিইউ সুবিধা খুবই প্রয়োজন ছিল। তাহলে হয়তো এতগুলো শিশুর মৃত্যু নাও হতে পারত।

হোসাইন সুলভ/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow