ময়মনসিংহে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞানমেলার উদ্বোধন

দেশব্যাপী বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞানমেলা-২০২৬। মঙ্গলবার (৯ জুন/২৬) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এ বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ এমরান সালেহ বলেন,“বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আজ মানুষের জীবনধারায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এর সুফলে মানুষের জীবন হয়েছে আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল। একটি দেশকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বিজ্ঞানচর্চা ও প্রযুক্তির বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি আরও বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞানমেলার মতো আয়োজনগুলোকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখল

ময়মনসিংহে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞানমেলার উদ্বোধন

দেশব্যাপী বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞানমেলা-২০২৬।

মঙ্গলবার (৯ জুন/২৬) ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের আয়োজনে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এ বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ এমরান সালেহ বলেন,“বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আজ মানুষের জীবনধারায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এর সুফলে মানুষের জীবন হয়েছে আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল। একটি দেশকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বিজ্ঞানচর্চা ও প্রযুক্তির বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞানমেলার মতো আয়োজনগুলোকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এসব আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন ও গবেষণাকে উৎসাহিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।”তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,“শুধু পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে। গবেষণা ও সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তা ব্যক্তি, সমাজ, দেশ এবং বিশ্বমানবতার কল্যাণে কাজে লাগে।”সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল বলেন,“বিজ্ঞানমেলার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা যে প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করছে, সেগুলোর মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে দেশ ও বিশ্বের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ কোনো উদ্ভাবন উঠে আসতে পারে। তাই গবেষণা ও প্রযুক্তি বিকাশে সবাইকে সম্মিলিতভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিজ্ঞান অনুরাগী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিন দিনব্যাপী এ বিজ্ঞানমেলায় বিভাগের বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণাকর্ম প্রদর্শন করবে। আয়োজকরা আশা করছেন, এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি করবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গঠনে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow