যবিপ্রবি'র হলে ফের ল্যাপটপ চুরি, সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে একটি ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ উঠেছে। পরপর দুইবার ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বারবার এমন ঘটনার জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা। হল গুলোর প্রত্যেক তলায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এ চুরির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যবিপ্রবির বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহবাজ আহমেদ রিকি এ বিষয়ে হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। জানা যায়, সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার কারণে রোববার সকাল ৯টায় শাহবাজ আহমেদ রিকি পরীক্ষা দিতে কক্ষ থেকে বের হন। সে সময় তিনি বন্ধ অবস্থায় ল্যাপটপটি কক্ষের টেবিলের ওপর রেখে যান। তখন তার রুমমেট একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে ওই রুমমেট ওয়াশরুমে যান এবং ফিরে এসে কক্ষে তালা না দিয়েই বাইরে বের হন। পরীক্ষা শেষে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কক্ষে
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে একটি ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ উঠেছে। পরপর দুইবার ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বারবার এমন ঘটনার জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা। হল গুলোর প্রত্যেক তলায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে এ চুরির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যবিপ্রবির বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহবাজ আহমেদ রিকি এ বিষয়ে হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
জানা যায়, সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার কারণে রোববার সকাল ৯টায় শাহবাজ আহমেদ রিকি পরীক্ষা দিতে কক্ষ থেকে বের হন। সে সময় তিনি বন্ধ অবস্থায় ল্যাপটপটি কক্ষের টেবিলের ওপর রেখে যান। তখন তার রুমমেট একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে ওই রুমমেট ওয়াশরুমে যান এবং ফিরে এসে কক্ষে তালা না দিয়েই বাইরে বের হন। পরীক্ষা শেষে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কক্ষে ফিরে এসে টেবিলে ল্যাপটপটি না পেয়ে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এ ঘটনায় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার ও চুরি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শাহবাজ আহমেদ রিকি সাংবাদিকদের বলেন, আজ রোববার সকালে ৯টায় আমার পরীক্ষা থাকায় আমি রুম থেকে বের হই। পরীক্ষা শেষে ফিরে এসে ফ্রেশ হয়ে টেবিলে বসে ল্যাপটপ অন করতে গিয়ে দেখি ল্যাপটপটি নেই। এরপর বিষয়টি হল প্রভোস্ট স্যারদের জানাই। তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে আমার ল্যাপটপ নিয়ে থাকে, তাহলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। ল্যাপটপে আমার থিসিসের গুরুত্বপূর্ণ ডাটাসহ অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য রয়েছে। এছাড়া হলের প্রতিটি ফ্লোরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি। যদি হলের ভেতরেই আমার জিনিস নিরাপদ না থাকে, তাহলে আমি নিরাপদ কোথায়?
এ বিষয়ে মুন্সি মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, ল্যাপটপ চুরির বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি দুইজন সহকারী হল প্রভোস্টকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। রুমমেট ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় দরজা তালাবদ্ধ না থাকায় চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, বিশেষ করে এর আগেও এই হলে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তখন শিক্ষার্থীদের বাইরে যাওয়ার সময় কক্ষ তালাবদ্ধ রাখার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে। আগামীকাল এ বিষয়ে একটি সভা করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজে কোনো আলামত পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে একই হলের ৩২০ নম্বর কক্ষ থেকে সৌরভ কুমার সরকার নামের এক শিক্ষার্থীর একটি ল্যাপটপ ও নগদ টাকা চুরির ঘটনা ঘটে।
What's Your Reaction?