যমুনা সার কারখানার শ্রমিকদের বেতন বন্ধ: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউনিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের বেতন বন্ধ থাকার অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বঞ্চিতরা। শনিবার (৩রা জানুয়ারী) কারখানার প্রধান ফটকের সামনে শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করেন। বেতন বঞ্চিত শ্রমিকদের সূত্রে জানাযায়, গত ২১-০৮-২০২৫ইং তারিখে যমুনা সার কারখানার বিভিন্ন বিভাগে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিক সরবরাহের লক্ষ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে কার্যাদেশ লাভ করে মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২০২৫ মাসের বেতন পরিশোধ করা হলেও নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি দৈনিক মজুরি ভিত্তিক প্রায় ১৯০ জন শ্রমিকের। তারা মজুরি দ্রুত পরিশোধের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫” ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় সব শ্রমিককে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট

যমুনা সার কারখানার শ্রমিকদের বেতন বন্ধ: মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউনিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োজিত দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের বেতন বন্ধ থাকার অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বঞ্চিতরা। শনিবার (৩রা জানুয়ারী) কারখানার প্রধান ফটকের সামনে শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

বেতন বঞ্চিত শ্রমিকদের সূত্রে জানাযায়, গত ২১-০৮-২০২৫ইং তারিখে যমুনা সার কারখানার বিভিন্ন বিভাগে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিক সরবরাহের লক্ষ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে কার্যাদেশ লাভ করে মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২০২৫ মাসের বেতন পরিশোধ করা হলেও নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি দৈনিক মজুরি ভিত্তিক প্রায় ১৯০ জন শ্রমিকের। তারা মজুরি দ্রুত পরিশোধের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫” ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় সব শ্রমিককে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ২৪ জন শ্রমিক এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন থাকা আরও ২৫ জনসহ মোট ৪৯ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি শ্রমিকদের বিষয়ে প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন হলে চুক্তি অনুযায়ী মজুরি পরিশোধ করা হবে।

এ বিষয়ে যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে গত ১৮ ও ২৯ ডিসেম্বর লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। শ্রম পরিদর্শক ( সাধারণ) দপ্তর থেকেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা প্রতিপালন করা হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow