যমুনায় ঝড়ের কবলে নৌকাডুবি: ৯ নারী শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার, নিখোঁজ ১
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীতে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে একটি শ্রমিকবাহী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নৌকায় থাকা ১০ জন নারী শ্রমিকের মধ্যে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আঙ্গুরী বেগম (৪০) নামের এক নারী শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বাণীযাজান স্পার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আঙ্গুরী বেগম উপজেলার গোসাইবাড়ী গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো আজ বৃহস্পতিবার সকালেও ১০ জন নারী শ্রমিক যমুনা নদীর ওপারে শানবান্ধা চরে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করতে যান। কাজ করার একপর্যায়ে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হলে তারা কাজ বন্ধ করে একটি নৌকায় চড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নৌকাটি নদীর বাণীযাজান স্পার এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে তীব্র ঝড়ের মুখে পড়ে উল্টে যায়। মুহূর্তের মধ্যে সব শ্রমিক নদীতে তলিয়ে যান এবং স্রোতের টানে ভাটির দিকে ভেসে যেতে থাকেন। নদীতে যখন বাঁচার আকুতি, ঠিক তখনই ত্রাণকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসেন বড়ইতলী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল বাবু। তিনি নদী থেকে ঘাস কেটে নিজের নৌকাযোগে ফিরছিলেন। ঘটনার বিবরণ দি
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীতে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে একটি শ্রমিকবাহী নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে নৌকায় থাকা ১০ জন নারী শ্রমিকের মধ্যে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আঙ্গুরী বেগম (৪০) নামের এক নারী শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বাণীযাজান স্পার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ আঙ্গুরী বেগম উপজেলার গোসাইবাড়ী গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো আজ বৃহস্পতিবার সকালেও ১০ জন নারী শ্রমিক যমুনা নদীর ওপারে শানবান্ধা চরে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করতে যান। কাজ করার একপর্যায়ে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হলে তারা কাজ বন্ধ করে একটি নৌকায় চড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নৌকাটি নদীর বাণীযাজান স্পার এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে তীব্র ঝড়ের মুখে পড়ে উল্টে যায়। মুহূর্তের মধ্যে সব শ্রমিক নদীতে তলিয়ে যান এবং স্রোতের টানে ভাটির দিকে ভেসে যেতে থাকেন।
নদীতে যখন বাঁচার আকুতি, ঠিক তখনই ত্রাণকর্তা হিসেবে এগিয়ে আসেন বড়ইতলী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল বাবু। তিনি নদী থেকে ঘাস কেটে নিজের নৌকাযোগে ফিরছিলেন। ঘটনার বিবরণ দিয়ে জুয়েল বাবু বলেন, নদী দিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ দেখি বেশ কয়েকজন নারী স্রোতে ভেসে যাচ্ছেন এবং বাঁচার জন্য চিৎকার করছেন। পরিস্থিতি বুঝে আমি দ্রুত আমার নৌকাটি তাদের দিকে নিয়ে যাই এবং একে একে ৯ জন নারীকে টেনে নৌকায় তুলতে সক্ষম হই। তবে চোখের পলকেই একজন তলিয়ে যান, যাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গুচ্ছগ্রামের লাল মিয়ার স্ত্রী ব্যতীত বাকি সব নারীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফ উল্লাহ নিজামী বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পাওয়ার পরপরই প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন। নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি রংপুর বা রাজশাহী থেকে বিশেষ ডুবুরি দলকে তলব করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?