যশোরে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো ঈদুল আজহা
যশোরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে যশোরে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায় এবং দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৮টায়। জেলার আটটি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে অংশ নেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার শিক্ষা
যশোরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে যশোরে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায় এবং দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৮টায়। জেলার আটটি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে অংশ নেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শেষে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার শিক্ষা দেয়। এবারের ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক খুশি, আনন্দ ও শান্তি। কিন্তু আমাদের কিছু অসচেতনতার কারণে সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশেষ করে নাম্বারবিহীন মোটরসাইকেল ও হেলমেটবিহীন চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ে। এসময় তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। সচেতনতা বাড়লে দুর্ঘটনাও কমবে এবং ঈদের আনন্দ নিরাপদভাবে সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।’
এদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, রেলগেট জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কারবালা জামে মসজিদ, ওয়াপদা কলোনি জামে মসজিদ, পিটিআই জামে মসজিদ ও বায়তুল মামুর জামে মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্ধারিত সময়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলার পাশাপাশি কেশবপুর, ঝিকরগাছা, মনিরামপুর ও শার্শা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ ও ঈদগাহে সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয়।