যশোরে এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন দেড় হাজারেরও বেশি মুসল্লি

যশোরের সদর উপজেলায় দেশি-বিদেশি নাগরিক মিলে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লির অংশগ্রহণে এক বিশাল ইতিকাফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সতীঘাটা এলাকায় অবস্থিত ‘আশরাফুল মাদারিস’ কম্পাউন্ডের মসজিদে এ সম্মিলন ঘটেছে। এতে ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র ও পানামাসহ বিভিন্ন দেশের ৭৫ জন বিদেশি নাগরিক অংশ নিয়েছেন। সাধারণত ২০ রমজান থেকে সুন্নত ইতিকাফ শুরু হলেও এই মসজিদে প্রথম রমজান থেকেই অনেকে নফল ইতিকাফ শুরু করেন। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লির সংখ্যাও বেড়েছে। ২২ রমজান পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সুন্নত ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন মুসল্লি। চারতলা বিশিষ্ট এই মসজিদে সহস্রাধিক মুসল্লির অবস্থানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সুবিধার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরির আয়োজন করা হচ্ছে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়। মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী এবং প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দিনরাত কাজ করছেন। আশরাফুল মাদারিসের শিক্ষা সচিব হাফেজ মাওলানা সাব্

যশোরে এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন দেড় হাজারেরও বেশি মুসল্লি

যশোরের সদর উপজেলায় দেশি-বিদেশি নাগরিক মিলে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লির অংশগ্রহণে এক বিশাল ইতিকাফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সতীঘাটা এলাকায় অবস্থিত ‘আশরাফুল মাদারিস’ কম্পাউন্ডের মসজিদে এ সম্মিলন ঘটেছে।

এতে ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র ও পানামাসহ বিভিন্ন দেশের ৭৫ জন বিদেশি নাগরিক অংশ নিয়েছেন।

সাধারণত ২০ রমজান থেকে সুন্নত ইতিকাফ শুরু হলেও এই মসজিদে প্রথম রমজান থেকেই অনেকে নফল ইতিকাফ শুরু করেন। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লির সংখ্যাও বেড়েছে। ২২ রমজান পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সুন্নত ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন মুসল্লি। চারতলা বিশিষ্ট এই মসজিদে সহস্রাধিক মুসল্লির অবস্থানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সুবিধার্থে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইফতার, রাতের খাবার ও সাহরির আয়োজন করা হচ্ছে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়। মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী এবং প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দিনরাত কাজ করছেন।

আশরাফুল মাদারিসের শিক্ষা সচিব হাফেজ মাওলানা সাব্বির আহমাদ জানান, শায়খুল হাদিস মাহমুদুল হাসান গাঙ্গুহি (রহ.)-এর সিলসিলার অনুসারীরা মূলত এখানে সমবেত হয়েছেন। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রখ্যাত আলেম শায়খ ইব্রাহিম আফ্রিকি এ সিলসিলার অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব। তিনি যেখানে অবস্থান করেন, দেশ-বিদেশের অনুসারীরা সেখানে ছুটে আসেন। এবার তিনি যশোরে অবস্থান করায় দেশি-বিদেশি বহু আলেম ও ধর্মপ্রাণ মানুষ এখানে ইতিকাফে যোগ দিয়েছেন।

মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা নাসীরুল্লাহ জানান, ২০২৩ সাল থেকে এখানে বৃহৎ পরিসরে ইতিকাফের আয়োজন করা হচ্ছে। এরপর থেকে প্রতিবছরই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছে। এর আগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের বড় জমায়েত হলেও এবার যশোরের এই মাদারিস প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠেছে দেশি-বিদেশি মুসল্লিদের পদচারণায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow