যশোরে দুই ঘণ্টায় দেড় হাজার যানবাহন তল্লাশি, ৩০ মোটরসাইকেল জব্দ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একযোগে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রোবাস্ট অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট, মনিহার মোড়, চারখাম্বা মোড়, ধর্মতলা মোড় ও নিউমার্কেট এলাকা এই পাঁচটি পয়েন্টে একযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ১ হাজার ৪৭৫টি যানবাহন তল্লাশি করা হয়। এসময় ৩০টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় এবং ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩৫টি মামলাও করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বিশেষ করে হেলমেটবিহীন চালক, হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী ও বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী মোটরসাইকেল আরোহীদের ওপর কঠোর নজরদারি করা হয়। অভিযানে পুলিশ কিংবা সাংবাদিক, কেউই ছাড় পাননি। সবাইকে একই নিয়মে চেকিংয়ের আওতায় আনা হয়। অভিযান অংশ নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে

যশোরে দুই ঘণ্টায় দেড় হাজার যানবাহন তল্লাশি, ৩০ মোটরসাইকেল জব্দ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একযোগে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রোবাস্ট অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।

শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট, মনিহার মোড়, চারখাম্বা মোড়, ধর্মতলা মোড় ও নিউমার্কেট এলাকা এই পাঁচটি পয়েন্টে একযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে মোট ১ হাজার ৪৭৫টি যানবাহন তল্লাশি করা হয়। এসময় ৩০টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় এবং ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩৫টি মামলাও করা হয়েছে।

jagonews24

অভিযান চলাকালে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বিশেষ করে হেলমেটবিহীন চালক, হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী ও বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী মোটরসাইকেল আরোহীদের ওপর কঠোর নজরদারি করা হয়। অভিযানে পুলিশ কিংবা সাংবাদিক, কেউই ছাড় পাননি। সবাইকে একই নিয়মে চেকিংয়ের আওতায় আনা হয়।

অভিযান অংশ নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলায় যাতে কোনো ধরনের অরাজকতা, সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে, সে লক্ষ্যে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং ও তরুণ অপরাধীরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তারা হাইড্রোলিক হর্ন ও অতিরিক্ত গতিতে শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এসব অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি আরও বলেন, জেলার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সর্বদা মাঠে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে

মিলন রহমান/এমএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow