যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি আর বাকি মাত্র ৫%

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় একটি বড় ধরনের সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, চুক্তির প্রায় ৯৫ শতাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে এবং এখন শুধু কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির বিষয়গুলো নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। তবে যেকোনো সময় চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচকদের তাড়াহুড়া না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও সময় রয়েছে এবং ধীরে-সুস্থে চুক্তি চূড়ান্ত করা উচিত। অন্যদিকে, আলোচনায় ইরানের ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং ধাপে ধাপে উত্তেজনা কমানোর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের নেতা মোজতবা খামেনি নীতিগতভাবে এই চুক্তির কাঠামোতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে ইরানের অভ্যন্তরীণ অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি আর বাকি মাত্র ৫%
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় একটি বড় ধরনের সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, চুক্তির প্রায় ৯৫ শতাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে এবং এখন শুধু কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির বিষয়গুলো নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। তবে যেকোনো সময় চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচকদের তাড়াহুড়া না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও সময় রয়েছে এবং ধীরে-সুস্থে চুক্তি চূড়ান্ত করা উচিত। অন্যদিকে, আলোচনায় ইরানের ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং ধাপে ধাপে উত্তেজনা কমানোর বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের নেতা মোজতবা খামেনি নীতিগতভাবে এই চুক্তির কাঠামোতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে ইরানের অভ্যন্তরীণ অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow