যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে জেদ্দায় শাহবাজ ও প্রিন্স সালমানের বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার লক্ষ্যে সৌদি আরব সফরে গেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন তিনি। সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এ সময় পাকিস্তানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনাও গুরুত্ব পায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন সৌদি যুবরাজ। তিনি এই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে তিনি স্বীকৃতি দেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল যখন ইরানে অবস্থান করছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই শাহবাজ শরিফের এই সৌদি সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও বৈঠকের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে জেদ্দায় শাহবাজ ও প্রিন্স সালমানের বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার লক্ষ্যে সৌদি আরব সফরে গেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জেদ্দায় সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন তিনি।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। এ সময় পাকিস্তানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনাও গুরুত্ব পায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন সৌদি যুবরাজ। তিনি এই প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে তিনি স্বীকৃতি দেন।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল যখন ইরানে অবস্থান করছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই শাহবাজ শরিফের এই সৌদি সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও বৈঠকের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং গাজা পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর। এরপর কাতার ও তুরস্ক সফর করবেন শাহবাজ শরিফ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow