যুক্তরাষ্ট্র ও চীন, একে অন্যের কাছ থেকে কী কী কেনে
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৫ সালে দুই দেশের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্যের লেনদেন হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের কারণে এই বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। খবর আলজাজিরার। বর্তমানে চীন থেকে আমদানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের গড় কার্যকর শুল্ক প্রায় ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ বলে জানিয়েছে পেন ওয়ারটন বাজেট মডেল। অন্যদিকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্যের ওপর একাধিক শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে সব মার্কিন আমদানির ওপর ১০ শতাংশ সাধারণ শুল্ক রয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে অতিরিক্ত শুল্কও বসানো হয়েছে। যেমন প্রোপেন ও ইথেনে ১১ শতাংশ এবং গরুর মাংসে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তবুও যুক্তরাষ্ট্র এখনো চীনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে চীন রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে, মেক্সিকো ও কানাডার পরে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৪৫৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে প্রধান ছিল : যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক মেশিনারি: ২১২ বিলিয়ন ডলার খেলনা, বিছানাপত্র ও আসবাবসহ বিভিন্ন পণ্য: ৫৭ দশমিক
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৫ সালে দুই দেশের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্যের লেনদেন হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের কারণে এই বাণিজ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
বর্তমানে চীন থেকে আমদানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের গড় কার্যকর শুল্ক প্রায় ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ বলে জানিয়েছে পেন ওয়ারটন বাজেট মডেল।
অন্যদিকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্যের ওপর একাধিক শুল্ক আরোপ করেছে। এর মধ্যে সব মার্কিন আমদানির ওপর ১০ শতাংশ সাধারণ শুল্ক রয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে অতিরিক্ত শুল্কও বসানো হয়েছে। যেমন প্রোপেন ও ইথেনে ১১ শতাংশ এবং গরুর মাংসে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
তবুও যুক্তরাষ্ট্র এখনো চীনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। আর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে চীন রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে, মেক্সিকো ও কানাডার পরে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৪৫৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে প্রধান ছিল :
- যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক মেশিনারি: ২১২ বিলিয়ন ডলার
- খেলনা, বিছানাপত্র ও আসবাবসহ বিভিন্ন পণ্য: ৫৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার
- বস্ত্রপণ্য: ৩১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার
একই বছরে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। প্রধান পণ্যগুলো ছিল :
- যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক মেশিনারি: ৩০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার
- জ্বালানি, তেল ও সংশ্লিষ্ট খনিজপণ্য: ২৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার
- রাসায়নিক পণ্য: ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার
দুই দেশের মধ্যে শুল্কযুদ্ধ চললেও পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কারণে বাণিজ্য সম্পর্ক এখনো বৈশ্বিক অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে রয়েছে।
What's Your Reaction?