যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে: লারিজানি

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানকে ভেঙে ফেলার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব Ali Larijani। তিনি বলেন, ইরানি জনগণের ঐক্য ও যুদ্ধকালীন রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতার কারণে এই ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। শনিবার এক সাক্ষাৎকারে লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানকে ভেঙে দেওয়া। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump, তার সহযোগীরা, ইসরায়েল এবং কিছু আঞ্চলিক পক্ষ তাদের বক্তব্যে এ লক্ষ্য প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছে। লারিজানি বলেন, “তাদের উদ্দেশ্য কেবল ইরানে সামান্য পরিবর্তন আনা ছিল না। ইসরায়েলের দৃষ্টিতে ইরানের মতো একটি বড় দেশের ক্ষেত্রে সামান্য পরিবর্তনের কোনো অর্থ নেই। তাই তাদের প্রকৃত লক্ষ্য ছিল ইরানকে ভেঙে দেওয়া।” তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প যে ইরান ভেঙে পড়ছে বলে দাবি করেছেন, তা থেকেই বোঝা যায় শুরু থেকেই তাদের উদ্দেশ্য ছিল দেশটিকে বিভক্ত করার পরিবেশ তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাবের কথা উল্লেখ করে লারিজানি বলেন, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল এবং বিশেষ করে ইরানকে যুক্তর

যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে: লারিজানি

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানকে ভেঙে ফেলার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব Ali Larijani। তিনি বলেন, ইরানি জনগণের ঐক্য ও যুদ্ধকালীন রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতার কারণে এই ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।

শনিবার এক সাক্ষাৎকারে লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানকে ভেঙে দেওয়া। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump, তার সহযোগীরা, ইসরায়েল এবং কিছু আঞ্চলিক পক্ষ তাদের বক্তব্যে এ লক্ষ্য প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছে।

লারিজানি বলেন, “তাদের উদ্দেশ্য কেবল ইরানে সামান্য পরিবর্তন আনা ছিল না। ইসরায়েলের দৃষ্টিতে ইরানের মতো একটি বড় দেশের ক্ষেত্রে সামান্য পরিবর্তনের কোনো অর্থ নেই। তাই তাদের প্রকৃত লক্ষ্য ছিল ইরানকে ভেঙে দেওয়া।”

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প যে ইরান ভেঙে পড়ছে বলে দাবি করেছেন, তা থেকেই বোঝা যায় শুরু থেকেই তাদের উদ্দেশ্য ছিল দেশটিকে বিভক্ত করার পরিবেশ তৈরি করা।

যুক্তরাষ্ট্রের ভুল হিসাবের কথা উল্লেখ করে লারিজানি বলেন, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল এবং বিশেষ করে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিকভাবে বুঝতে পারছে না। তারা মনে করছে ভেনেজুয়েলার মতো কিছু দেশে যে কৌশল প্রয়োগ করেছে, তা ইরানেও সফল হবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ বড় ধরনের ধাক্কা সৃষ্টি করে ইরানি জনগণের মনোবল ভেঙে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। কারণ ইরানি জনগণের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য থাকতে পারে উল্লেখ করে লারিজানি বলেন, “ইরানিরা শেষ পর্যন্ত ইরানিই। দেশের অখণ্ডতা ভাঙার মতো কোনো বিষয়ে তারা বিদেশি শক্তির সঙ্গে কখনও সহযোগিতা করবে না।”

একই সঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করার জন্যও ব্যাপকভাবে চেষ্টা করেছে। তাদের ধারণা ছিল সমাজের স্বাভাবিক মতভেদকে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভক্তিতে রূপ দেওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে ইরানের জনগণ দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ।

এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে লারিজানি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো আঞ্চলিক ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তাহলে ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

তিনি বলেন, “আঞ্চলিক দেশগুলো একদিকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে, আবার অন্যদিকে তাদের ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ দেবে—এটা হতে পারে না। যদি এমন হয়, তাহলে প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়া হবে এবং এই নীতি অব্যাহত থাকবে।”

সূত্র- তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow