যুক্তরাষ্ট্রকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের গ্যারান্টি দিতে হবে: ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত অবসানে আলোচিত চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েল যাতে লেবাননে আর হামলা না চালায়, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্যারান্টি দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান স্পষ্ট করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল, কাউকেই বিশ্বাস করে না। সোমবার (১৫ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে যে, `জায়নবাদী শাসনও\' লেবানন নিয়ে তাদের অঙ্গীকার মেনে চলবে। তিনি আরও বলেন, ইরান না ইসরায়েলকে বিশ্বাস করে, না যুক্তরাষ্ট্রকে। ইসমাইল বাঘাইয়ের মন্তব্যটি এমন এক সময় এলো, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতা নিয়ে নিবিড় কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উভয় পক্ষই একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে, যা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতময় ফ্রন্টে উত্তেজনা কমতে পারে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি খুব শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে ইরান বারবার বলেছে, আলোচনায় অগ্রগতি হল
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত অবসানে আলোচিত চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েল যাতে লেবাননে আর হামলা না চালায়, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্যারান্টি দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান স্পষ্ট করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল, কাউকেই বিশ্বাস করে না।
সোমবার (১৫ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে যে, `জায়নবাদী শাসনও' লেবানন নিয়ে তাদের অঙ্গীকার মেনে চলবে।
তিনি আরও বলেন, ইরান না ইসরায়েলকে বিশ্বাস করে, না যুক্তরাষ্ট্রকে।
ইসমাইল বাঘাইয়ের মন্তব্যটি এমন এক সময় এলো, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতা নিয়ে নিবিড় কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উভয় পক্ষই একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে, যা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতময় ফ্রন্টে উত্তেজনা কমতে পারে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি খুব শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। তবে ইরান বারবার বলেছে, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাণিজ্যিক চলাচল এবং বিভিন্ন সংঘাতের বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এর মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে।
তেহরানের অবস্থান হলো, যদি কোনো চূড়ান্ত চুক্তি বা সমঝোতা হয়, তবে সেটি কেবল ইরানের ওপর নতুন শর্ত আরোপের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না; বরং ইসরায়েলকেও তার সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধে বাধ্য করার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।
সূত্র: এএফপি
এসএএইচ
What's Your Reaction?