যুক্তরাষ্ট্রে সৌর প্রযুক্তি রপ্তানি সীমিত করার চিন্তা চীনের

যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত সৌর প্যানেল তৈরির যন্ত্রপাতি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি চীন বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে চীনা কর্মকর্তারা এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং শিল্পখাতের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক মতামতও চাওয়া হয়নি। বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি সৌর প্যানেল উপাদান উৎপাদন করে চীন। এছাড়া সৌর সেল তৈরির যন্ত্রপাতির শীর্ষ ১০ সরবরাহকারীও চীনের। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ পরিকল্পনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে টেসলার মতো প্রতিষ্ঠান, যারা যুক্তরাষ্ট্রে সৌর প্যানেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, সৌর শক্তিভিত্তিক প্রযুক্তি ও স্পেস-ভিত্তিক কম্পিউটিং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ইলন মাস্ক এই খাতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন। একই সঙ্গে গুগল ও অ্যামজনের মতো প্রতিষ্ঠানও সৌর শক্তি ও এনার্জি স্টোরেজ খাতে বিনিয়োগ করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রাধিকার বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে, তবে এতে বৈশ্বিক সরবর

যুক্তরাষ্ট্রে সৌর প্রযুক্তি রপ্তানি সীমিত করার চিন্তা চীনের

যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত সৌর প্যানেল তৈরির যন্ত্রপাতি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি চীন বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে চীনা কর্মকর্তারা এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং শিল্পখাতের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক মতামতও চাওয়া হয়নি।

বিশ্বের ৮০ শতাংশের বেশি সৌর প্যানেল উপাদান উৎপাদন করে চীন। এছাড়া সৌর সেল তৈরির যন্ত্রপাতির শীর্ষ ১০ সরবরাহকারীও চীনের।

এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ পরিকল্পনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে টেসলার মতো প্রতিষ্ঠান, যারা যুক্তরাষ্ট্রে সৌর প্যানেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌর শক্তিভিত্তিক প্রযুক্তি ও স্পেস-ভিত্তিক কম্পিউটিং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ইলন মাস্ক এই খাতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন।

একই সঙ্গে গুগল ও অ্যামজনের মতো প্রতিষ্ঠানও সৌর শক্তি ও এনার্জি স্টোরেজ খাতে বিনিয়োগ করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রাধিকার বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে, তবে এতে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ সৃষ্টি হবে।

এ উদ্যোগ এমন সময় সামনে এসেছে, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলছে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow