যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা চীনের, ড্রোন রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণসহ নতুন নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত নিষেধাজ্ঞার জবাবে একাধিক পাল্টা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে চীন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন রপ্তানিতে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং ছয়টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের।  বুধবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের চীনা ড্রোন আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কর্তৃক ৪৩টি চীনা প্রতিষ্ঠানকে উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইনের তালিকাভুক্ত করার জবাব হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যের লঙ্ঘন এবং চীনের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের ক্ষতি করেছে। তাই প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে বেইজিং। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন, ড্রোনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে এখন থেকে প্রতিটি

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা চীনের, ড্রোন রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণসহ নতুন নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত নিষেধাজ্ঞার জবাবে একাধিক পাল্টা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে চীন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন রপ্তানিতে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং ছয়টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। খবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের। 

বুধবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের চীনা ড্রোন আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কর্তৃক ৪৩টি চীনা প্রতিষ্ঠানকে উইঘুর জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধ আইনের তালিকাভুক্ত করার জবাব হিসেবেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যের লঙ্ঘন এবং চীনের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের ক্ষতি করেছে। তাই প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে বেইজিং।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন, ড্রোনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ এবং বেসামরিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে এখন থেকে প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

এছাড়া অ্যাপ্লাইড ডিএনএ সায়েন্সেস ইনকরপোরেটেড,  হিউমান রাইটস ইন চীনসহ মোট ছয়টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পাশাপাশি কমপ্লায়েন্স টেস্টিং এলএলসি নামে একটি মার্কিন কোম্পানিকেও চীনে ব্যবসা পরিচালনায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চীনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি এফসিসির সঙ্গে কাজ করে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ক্ষতি করেছে।

এদিকে, আমদানি করা প্রিন্টিং সফটওয়্যার ও অফিস সরঞ্জাম জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে কি না, তাও তদন্ত করছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে এ তদন্তে কোন কোন কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তা জানানো হয়নি।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হওয়ার ইঙ্গিত থাকলেও, নতুন এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিরোধ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

 সূত্র: এপি 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow