যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানকে মানতে হবে যে শর্ত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে আগামীকাল ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আর এ আলোচনায় কী কী বিষয়ে কথা হবে সেটির একটি কাঠামো তৈরি করেছে মধ্যস্থতাকারী ৩ দেশ তুরস্ক, মিসর ও কাতার। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন সূত্র জানিয়েছেন, এই কাঠামোর আলোকে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনেকাংশে হ্রাস করতে হবে।  এছাড়া ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে। সঙ্গে হিজবুল্লাহ ও হুতির মতো সশস্ত্র বাহিনীদের সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। প্রস্তাবিত চুক্তির কাঠামোতে বলা হয়েছে, ইরান আগামী ৩ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না। এ সময় শেষ হওয়ার পর তাদের ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে অনুমতি দেওয়া হবে। বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধকৃত ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম  তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া ইরান হিজবুল্লাহ বা হুতির মতো বাহিনীর কাছে কোনো অস্ত্র ও প্রযুক্তি পাঠাতে পারবে না। এগুলোর পাশাপাশি ইরানকে কথা দিতে হবে তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাই

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানকে মানতে হবে যে শর্ত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে আগামীকাল ওমানের রাজধানী মাস্কাটে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আর এ আলোচনায় কী কী বিষয়ে কথা হবে সেটির একটি কাঠামো তৈরি করেছে মধ্যস্থতাকারী ৩ দেশ তুরস্ক, মিসর ও কাতার।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ নিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন সূত্র জানিয়েছেন, এই কাঠামোর আলোকে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনেকাংশে হ্রাস করতে হবে। 

এছাড়া ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে। সঙ্গে হিজবুল্লাহ ও হুতির মতো সশস্ত্র বাহিনীদের সহায়তা দেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে।

প্রস্তাবিত চুক্তির কাঠামোতে বলা হয়েছে, ইরান আগামী ৩ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না। এ সময় শেষ হওয়ার পর তাদের ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে অনুমতি দেওয়া হবে।

বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধকৃত ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম  তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া ইরান হিজবুল্লাহ বা হুতির মতো বাহিনীর কাছে কোনো অস্ত্র ও প্রযুক্তি পাঠাতে পারবে না।

এগুলোর পাশাপাশি ইরানকে কথা দিতে হবে তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে ইরানকে মিসাইল উৎপাদন সীমিত এবং এগুলোর আঘাত হানার সীমা কমাতে হবে।

একটি সূত্রের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অগ্রাসনবিরোধী চুক্তি নিয়েও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে মধ্যস্থতাকারীদের এসব কাঠামো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কি বলেছে সেটি জানা যায়নি।

যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি জানিয়ে আসছে, ইরানকে পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মিসাইল এবং প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও চুক্তি করতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow