যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই বা তিনটি ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ছিল: ইরান

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়া নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, শান্তি আলোচনায় সব বিষয়ে তাদের মতানৈক্য হয়নি, অনেকগুলো বিষয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমতও হয়েছিলেন। ইরান নিউজ নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসমাইল বাঘাই বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় মোট ২৪ থেকে ২৫টি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আমরা মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছি। তবে দুই বা তিনটি ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ছিল এবং সেখানে আমরা কোনো সমেঝাতায় পৌঁছাতে সক্ষম হইনি। তবে ঠিক কোন বিষয়গুলোতে মতানৈক্য হয়েছিল সেটা তিনি স্পষ্ট করে বলেননি। ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতির মতো নতুন বিষয়গুলো যুক্ত হওয়ায় আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। এদিকে এর আগে আরেক সাক্ষাৎকারে ইসমাইল বাঘাই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যে দ্রুতই একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, তা কখনোই প্রত্যাশিত ছিল না। ইরানের রাষ্ট্রীয় স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ককে তিনি বলেন, শুরু থেকেই আমাদের এটা আশা করা উচিৎ ছিল না যে আমরা একটি মাত্র বৈঠকেই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। আমার মনে হয় না কারোই এমন কোনো প্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই বা তিনটি ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ছিল: ইরান

ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়া নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, শান্তি আলোচনায় সব বিষয়ে তাদের মতানৈক্য হয়নি, অনেকগুলো বিষয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমতও হয়েছিলেন। ইরান নিউজ নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসমাইল বাঘাই বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় মোট ২৪ থেকে ২৫টি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আমরা মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছি। তবে দুই বা তিনটি ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ছিল এবং সেখানে আমরা কোনো সমেঝাতায় পৌঁছাতে সক্ষম হইনি।

তবে ঠিক কোন বিষয়গুলোতে মতানৈক্য হয়েছিল সেটা তিনি স্পষ্ট করে বলেননি। ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালি এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতির মতো নতুন বিষয়গুলো যুক্ত হওয়ায় আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

এদিকে এর আগে আরেক সাক্ষাৎকারে ইসমাইল বাঘাই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যে দ্রুতই একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, তা কখনোই প্রত্যাশিত ছিল না।

ইরানের রাষ্ট্রীয় স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ককে তিনি বলেন, শুরু থেকেই আমাদের এটা আশা করা উচিৎ ছিল না যে আমরা একটি মাত্র বৈঠকেই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। আমার মনে হয় না কারোই এমন কোনো প্রত্যাশা ছিল।

তিনি বলেন, ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা ‘চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের’ পর এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দুইদিনের মধ্যেই একটি শান্তি আলোচনা হয়েছে, যা ‘অবিশ্বাস, সন্দেহ ও সংশয়ে ভরা’ এক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে শান্তি আলোচনা বা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কূটনীতি কখনো শেষ হয় না। বাঘাই এর আগে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ‘অতিরিক্ত দাবি’ করা থেকে বিরত থাকা।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow