যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার মধ্যেও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। বুধবার (২২ জুলাই) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফজল শেখারচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পরও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘কারখানায় উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি অপারেশনাল ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে। একইসঙ্গে আমাদের মজুতও পুনরায় পূরণ করা হচ্ছে।’ শেখারচির দাবি, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রের অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি হামলা সহ্য করার সক্ষমতা দেখিয়েছে ইরান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) মূল্যায়ন করেছিল, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখনো অক্ষত রয়েছে। এছাড়া ইরানের তৈরি অস্ত্র, বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো প্র

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার মধ্যেও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী।

বুধবার (২২ জুলাই) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফজল শেখারচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পরও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ‘কারখানায় উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি অপারেশনাল ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে। একইসঙ্গে আমাদের মজুতও পুনরায় পূরণ করা হচ্ছে।’

শেখারচির দাবি, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রের অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি হামলা সহ্য করার সক্ষমতা দেখিয়েছে ইরান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) মূল্যায়ন করেছিল, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এখনো অক্ষত রয়েছে।

এছাড়া ইরানের তৈরি অস্ত্র, বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow