যুদ্ধ শেষ করতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র : জেলেনস্কি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান প্রায় চার বছরের যুদ্ধ শেষ করতে চলতি বছরের জুনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (০৭ ডিসেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, গ্রীষ্মের শুরুতেই যুদ্ধ শেষ করতে হবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সময়সূচি অনুযায়ীই তারা দুই পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে।
তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সব কিছুর জন্য একটি স্পষ্ট সময়রেখা নির্ধারণে আগ্রহী। তিনি আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে, ইউক্রেন–রাশিয়া–যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউক্রেন ইতোমধ্যে বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ শেষ করবেন। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রভাবের মধ্যে পড়ে ক্রেমলিনের অবস্থানের দিকে ঝুঁকছেন।
আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত যুক্তরা
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান প্রায় চার বছরের যুদ্ধ শেষ করতে চলতি বছরের জুনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (০৭ ডিসেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, গ্রীষ্মের শুরুতেই যুদ্ধ শেষ করতে হবে বলে প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সময়সূচি অনুযায়ীই তারা দুই পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করবে।
তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সব কিছুর জন্য একটি স্পষ্ট সময়রেখা নির্ধারণে আগ্রহী। তিনি আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে, ইউক্রেন–রাশিয়া–যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউক্রেন ইতোমধ্যে বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ শেষ করবেন। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় পার হলেও এখনো কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রভাবের মধ্যে পড়ে ক্রেমলিনের অবস্থানের দিকে ঝুঁকছেন।
আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন ও রাশিয়ার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার পর এ সময়সীমা এসেছে। তবে ওই আলোচনায় তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। রাশিয়া দাবি করেছে, ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলের শিল্পসমৃদ্ধ দনবাস অঞ্চল তথা দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। কিয়েভ এই দাবি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী তারা কোনো ভূখণ্ড ছাড়তে পারে না।
আলজাজিরা জানিয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে উভয় পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে। ইউক্রেন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জেলেনস্কি জানান, এই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতেও যুদ্ধবন্দি বিনিময় চলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেন, শান্তি আলোচনায় এখনও অনেক কাজ বাকি থাকলেও যুদ্ধবন্দি বিনিময় প্রমাণ করে যে টানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত সময়সীমা মানা না হলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে ওয়াশিংটন কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেয়নি।