যুদ্ধবিরতি আর বেশিদিন নেই, বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ দফার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি প্রায় ২০ ঘণ্টা চলার পর ভেঙে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলেও কূটনীতি পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে নতুন করে কবে আলোচনা শুরু হবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু করেছে। এটিকে বড় ধরনের উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মূল তিনটি ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। এগুলো হলো—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নৌ চলাচল। দ্য ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির গবেষণা পরিচালক প্যাট্রিক ক্লসন বলেন, শিগগিরই আবার আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং সংঘাত ফের শুরু হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ দুই পক্ষই কোনো স্পষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। এদিকে মার্কিন বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এখন দুইটি পথ খো

যুদ্ধবিরতি আর বেশিদিন নেই, বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ দফার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি প্রায় ২০ ঘণ্টা চলার পর ভেঙে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলেও কূটনীতি পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে নতুন করে কবে আলোচনা শুরু হবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর শুরু করেছে। এটিকে বড় ধরনের উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল তিনটি ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। এগুলো হলো—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নৌ চলাচল।

দ্য ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির গবেষণা পরিচালক প্যাট্রিক ক্লসন বলেন, শিগগিরই আবার আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং সংঘাত ফের শুরু হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ দুই পক্ষই কোনো স্পষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

এদিকে মার্কিন বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এখন দুইটি পথ খোলা আছে—একটি হলো চাপ বাড়ানো, যেমন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ; অন্যটি হলো কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রাখা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচনা বন্ধ থাকলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়বে। বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে, যা ২১ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক চেষ্টা হতে পারে। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসতে পারে।

হরমুজ প্রণালিকে এই সংকটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ এটি বিশ্বে তেল পরিবহনের একটি বড় পথ। এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের টানাপোড়েন চলছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow