যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কত নামলো তেলের দাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বুধবারের লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে দাঁড়ায় প্রায় ৯৪.৭৬ ডলার, যা একদিনে প্রায় ১৩ শতাংশের বেশি কমেছে। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম নেমে আসে প্রায় ৯৫.৭৯ ডলারে, যা প্রায় ১৫ শতাংশের বেশি পতন। এই দরপতনের মূল কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আশাবাদ বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই এই পথ সচল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি না খুললে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হবে। পরে তিনি দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। ইরানও জানিয়েছে, তাদের ওপর হামলা বন্ধ হলে তারা পাল্টা হামলা বন্ধ করবে এবং দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ দিয়ে নিরাপদ নৌযাতায়াত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির প

যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কত নামলো তেলের দাম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বুধবারের লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে দাঁড়ায় প্রায় ৯৪.৭৬ ডলার, যা একদিনে প্রায় ১৩ শতাংশের বেশি কমেছে। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম নেমে আসে প্রায় ৯৫.৭৯ ডলারে, যা প্রায় ১৫ শতাংশের বেশি পতন। এই দরপতনের মূল কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আশাবাদ বাজারে স্বস্তি তৈরি করেছে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। তাই এই পথ সচল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি না খুললে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হবে। পরে তিনি দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। ইরানও জানিয়েছে, তাদের ওপর হামলা বন্ধ হলে তারা পাল্টা হামলা বন্ধ করবে এবং দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ দিয়ে নিরাপদ নৌযাতায়াত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির পরও অঞ্চলটিতে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালী নিয়ে ঝুঁকি বজায় থাকতে পারে, যা তেলের বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: রয়টার্স  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow