যুব অধিকার পরিষদের নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় গণঅধিকার পরিষদের অঙ্গসংগঠন যুব অধিকার পরিষদের উপজেলা সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাইবান্ধা শহর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে উপজেলার ফলিয়ার পাথার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি আরিফকে বহনকারী অটোরিকশা থামিয়ে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পেটের ওপরের অংশে একাধিকবার আঘাত করা হয়। আহত আরিফের স্বজনরা জানান, হামলাকারীরা তাকে মাটিতে ফেলে হাত-পা চেপে ধরে এলোপাতাড়িভাবে ছুরিকাঘাত করেন। একপর্যায়ে পাশের এলাকার এক ব্যক্তি টর্চলাইটের আলো ফেললে হামলাকারীরা বিচলিত হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে গুরুতর আহত অবস্থায় আরিফ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরে উপজে
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় গণঅধিকার পরিষদের অঙ্গসংগঠন যুব অধিকার পরিষদের উপজেলা সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম আরিফকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাইবান্ধা শহর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে উপজেলার ফলিয়ার পাথার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি আরিফকে বহনকারী অটোরিকশা থামিয়ে জোরপূর্বক একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পেটের ওপরের অংশে একাধিকবার আঘাত করা হয়।
আহত আরিফের স্বজনরা জানান, হামলাকারীরা তাকে মাটিতে ফেলে হাত-পা চেপে ধরে এলোপাতাড়িভাবে ছুরিকাঘাত করেন। একপর্যায়ে পাশের এলাকার এক ব্যক্তি টর্চলাইটের আলো ফেললে হামলাকারীরা বিচলিত হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে গুরুতর আহত অবস্থায় আরিফ প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
চিকিৎসক ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার পেটের ওপরের অংশে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া গলার বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বজনরা।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এ ধরনের হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। আহত ব্যক্তি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসা শেষে তার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে হামলার পেছনের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?