যুবককে কুপিয়ে হত্যা, রাস্তায় পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রায়হান খান (২৫) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) ভোরে নাগবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম। নিহত রায়হান খান চাঁদপুর জেলার বহারিয়া বাজার এলাকার মৃত বিল্লাল খানের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের তাঁতিপাড়া এলাকার ইয়াসিন মিয়ার ভাড়াটিয়া।     স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভোরে নাগবাড়ি এলাকার একটি নির্জন স্থানে রায়হান খানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।   পুলিশ জানায়, রায়হান খান মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।  অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসা নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ ছিল। ছিনতাই করা টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।  এ বিষয়ে এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আমরা কাজ করছি। ঘটনায়

যুবককে কুপিয়ে হত্যা, রাস্তায় পড়েছিল রক্তাক্ত মরদেহ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রায়হান খান (২৫) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) ভোরে নাগবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম। নিহত রায়হান খান চাঁদপুর জেলার বহারিয়া বাজার এলাকার মৃত বিল্লাল খানের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের তাঁতিপাড়া এলাকার ইয়াসিন মিয়ার ভাড়াটিয়া।     স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভোরে নাগবাড়ি এলাকার একটি নির্জন স্থানে রায়হান খানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।   পুলিশ জানায়, রায়হান খান মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।  অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসা নিয়ে তার সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরোধ ছিল। ছিনতাই করা টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।  এ বিষয়ে এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আমরা কাজ করছি। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow